Islamic Article Archive - http://articles.ourislam.org
সন্ত্রাস দমনে রাসূল সাঃ-এর আদর্শ
http://articles.ourislam.org/articles/119/1/aaaaaaaa-aaaa-aaaaa-aaa-aa-aaaaa/Page1.html
Article Poster
 
By Article Poster
Published on 03/28/2008
 
সন্ত্রাস বর্তমান সময়ে আমাদের দেশসহ সারাবিশ্বে একটি বহুল আলোচিত ও উদ্বেগের বিষয় হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে। শুধু এ দেশেই বা বলি কেন? গোটা বিশ্বেই এটি এখন সর্বাধিক ভাবনার বিষয়বস্তু। বিজ্ঞানের অভাবনীয় উন্নতি ও পরমাণু আবিষ্কারের আজকের যুগেও বিশ্ব নেতৃবৃন্দ রীতিমতো শঙ্কিত হচ্ছেন সন্ত্রাসবাদের ক্রমবিস্তারের কথা ভেবে। সন্ত্রাসকে যদি সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করি তাহলে কোনো কোনো ক্ষেত্রে জাতীয় কিংবা আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে এটিই এখন প্রধান সমস্যা। বলা বাহুল্য, আমাদের দেশে বর্তমানে এটি একটি জাতীয় সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত।

সন্ত্রাস দমনে রাসূল সাঃ-এর আদর্শ

সন্ত্রাস বর্তমান সময়ে আমাদের দেশসহ সারাবিশ্বে একটি বহুল আলোচিত ও উদ্বেগের বিষয় হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে। শুধু এ দেশেই বা বলি কেন? গোটা বিশ্বেই এটি এখন সর্বাধিক ভাবনার বিষয়বস্তু। বিজ্ঞানের অভাবনীয় উন্নতি ও পরমাণু আবিষ্কারের আজকের যুগেও বিশ্ব নেতৃবৃন্দ রীতিমতো শঙ্কিত হচ্ছেন সন্ত্রাসবাদের ক্রমবিস্তারের কথা ভেবে। সন্ত্রাসকে যদি সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করি তাহলে কোনো কোনো ক্ষেত্রে জাতীয় কিংবা আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে এটিই এখন প্রধান সমস্যা। বলা বাহুল্য, আমাদের দেশে বর্তমানে এটি একটি জাতীয় সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত।

সন্ত্রাস আসলে কীঃ একটি অর্থে সন্ত্রাস হলো প্রতিহিংসামূলক বিরোধিতারই ফল। প্রতিহিংসাপরায়ণ কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী প্রতিশোধ নেয়ার কিংবা আধিপত্য বিস্তারের জন্য সঙ্কল্পবদ্ধ হয়, তখন প্রতিপক্ষের কার্যকলাপ সর্বতোভাবে প্রতিরোধে সে ব্যক্তি বা গোষ্ঠী মরিয়া হয়ে ওঠে এবং ন্যায়-অন্যায় ভুলে গিয়ে উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য হিংস্রতার সাথে শক্তি প্রয়োগ করে। এই হিংস্রতাই বস্তুত সন্ত্রাস। সন্ত্রাস শব্দটির প্রকৃতিগত বিশ্লেষণ হলো, সম+ত্রাস। অর্থ­ অতিশয় ত্রাস বা ভয়ের পরিবেশ। আর এটা সত্য যে, সব হিংসাত্মক কার্যকলাপই ভয়ের হেতু। সুতরাং মানুষের কল্যাণ নেই এমনকি সোয়াস্তি ও পছন্দের বাইরের একটি কাজই হলো সন্ত্রাস। সন্ত্রাস একটি অতি ঘৃণিত বিষয়। পবিত্র আল কুরআনেও সন্ত্রাস সম্পর্কে কথা এসেছে। সূরা ক্বাসাসের ৭৭ নম্বর আয়াতে আল্লাহতায়ালা বলছেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহতায়ালা সন্ত্রাস (ফাসাদ) সৃষ্টিকারীদের পছন্দ করেন না।’
সন্ত্রাসের কারণঃ বাংলাদেশ বেতার ঢাকা কেন্দ্রের ক চ্যানেল থেকে অত্যন্ত জনপ্রিয় নৈশকালীন ম্যাগাজিন ‘উত্তরণ’ অনুষ্ঠানে ‘সন্ত্রাস দমনে নাগরিক চেতনা’ শীর্ষক একটি অনুসন্ধানমূলক সাক্ষাৎকার সিরিজ প্রচারিত হয়েছিল দীর্ঘ দিন। ওই সিরিজে সমাজের বিভিন্ন পেশার, বিভিন্ন বয়সের নাগরিকরা সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন। তারা সন্ত্রাসের কারণ হিসেবে বহুবিধ বিষয়কে চিহ্নিত করার প্রয়াস পান। কারণগুলোর কোনো কোনোটির মধ্যে ব্যাপক বৈপরীত্য থাকলেও মোটামুটি মৌলিকভাবে যে বিষয়গুলোর ওপর তারা একমত হয়েছিলেন তা হলো­ সন্ত্রাসীদের প্রতি তাদের পিতামাতার উদাসীনতা। এমন অনেক পিতামাতা আছেন যারা তাদের সন্তান সারা দিন কোথায় থাকল, কী করল সেসব ব্যাপারে খোঁজ নেয়ার প্রয়োজনবোধ করেন না। বাল্যকাল থেকে এভাবে লাগামহীন জীবনযাপনে অভ্যস্ত হওয়ার ফলে বয়ঃসন্ধিক্ষণে তারা কুসংসর্গে এসে সহজেই সন্ত্রাসবাদকে বেছে নেয়। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, বিদ্বেষপ্রসূত কর্মকাণ্ড, বেকারত্বের অভিশাপ, সম্মিলিত নাগরিক প্রতিরোধের অভাব, প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে সততা ও দৃঢ়তাশূন্যতা, আধিপত্য বিস্তারের মনোভাব সর্বোপরি ধর্মীয় অনুশাসন তথা নৈতিক শিক্ষাবিমুখতা প্রভৃতিই সন্ত্রাসের কারণ হিসেবে এখন চিহ্নিত। এ ছাড়া বিভিন্ন প্রচার ও প্রকাশ মাধ্যমে প্রকারান্তরে সন্ত্রাসের প্রতি প্রচ্ছন্ন উৎসাহ জোগানো হয় বলেও অভিজ্ঞজনরা ধারণা করেন। চলচ্চিত্র ও টেলিভিশনের পর্দায় কখনো কখনো সন্ত্রাসের চিত্র এমনভাবে প্রদর্শিত হয়, যাতে কোমলমতি কিশোরদের ওপর তা মারাত্মক প্রভাব বিস্তার করে বলে প্রমাণ মেলে। ক্ষমতার মোহ সাঙ্ঘাতিক মোহ। প্রভাবশালীরা ক্ষমতার লোভেও কখনো কখনো সন্ত্রাস করে নির্দ্বিধায়। ইতিহাস খুললেও অতীতের অনেক রাজা-বাদশাহরই সন্ত্রাসের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করার প্রমাণ পাওয়া যায়।

সন্ত্রাসের কুপ্রভাবঃ সন্ত্রাসের কুপ্রভাবে আমাদের সবচেয়ে যে ক্ষতিটি হচ্ছে তা হলো সমাজে অশান্তি বিরাজ। সন্ত্রাসীদের ভয়ে শান্তিপ্রিয় মানুষের চোখের নিদ্রা বিদায় নেয়। অন্তরের স্বপ্ন ভঙ্গ হয়। অনেক কষ্ট করে পিতামাতা সন্তানকে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠান। অনেক উচ্চাকাঙ্ক্ষা, স্বপ্ন তাদের ঘিরে থাকে। অথচ সন্ত্রাসের শিকার হয়ে একদিন হয়তো প্রিয় সন্তানের লাশের কফিন এসে পিতামাতাকে ক্ষতবিক্ষত করে। সন্ত্রাসের ফলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো দীর্ঘদিন থাকে অনির্ধারিত বন্ধ, ছাত্রজীবন হয় বিলম্বিত। অবশ্য বর্তমানে এ চিত্র কিছুটা বদলেছে।
 
সন্ত্রাস জাতীয় জীবনে শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতির পথে অনেক বড় বাধা। এটা জাতি তথা দেশের ভাবমর্যাদা বেপরোয়াভাবে ধ্বংস করে, সাধারণ মানুষের পরম চাওয়া একটু সুখ-শান্তিকে নিষ্ঠুরভাবে বানচাল করে। পদস্থ কর্মকর্তাদের মদদে কখনো কখনো সন্ত্রাস হয় বলে দোষ ঢাকতে তারা কৌশলী দুর্নীতিপরায়ণ হতে বাধ্য হয়। এতে দুঃশাসন ক্রমবর্ধমান হারে বিস্তার লাভ করে, শাসনতান্ত্রিক সততা বিলুপ্ত হয় এবং জনগণ সুশাসন থেকে হন বঞ্চিত। সন্ত্রাস মানবিক মূল্যবোধকে জলাঞ্জলি দিতে উৎসাহ দেয়, মানুষের সৌভ্রাতৃত্ব ও মমত্ববোধকে ধ্বংস করে। সর্বোপরি সন্ত্রাস সংক্রমিত হয়ে সম্ভাবনাময় অনেক কিশোর-তরুণকে সন্ত্রাসী হিসেবে গড়ে উঠতে সাহায্য করে, যা একটি জাতির জন্য কখনই শুভ হয় না।

সন্ত্রাস দমন কিভাবে সম্ভবঃ সন্ত্রাস দমন কিভাবে সম্ভব সে বিষয়ে বিভিন্ন জন ভিন্ন ভিন্ন মতামত প্রকাশ করেন। সব মানবমস্তিষ্ক একই রকম নয় বলে মতামতের ভিন্নতা থাকা অস্বাভাবিক নয়। কেউ কেউ বলে থাকেন সন্ত্রাস দিয়েই সন্ত্রাস দমন করা যেতে পারে। আসলে এ ধারণাটি মোটেও যথার্থ নয়। বিষ দিয়ে বিষ শোধন করা যায়, কাঁটা দিয়ে কাঁটা তুলতে হয়, পুকুরে গোসল করতে গিয়ে কানে পানি গেলে আরো কিছু পানি ঢুকিয়ে তা বের করা যায়­ কিন্তু সন্ত্রাস দিয়ে সন্ত্রাস দমন করা যায় না কখনো। সন্ত্রাস যদি অপরাধ হয়ে থাকে (নিঃসন্দেহে তা বড় অপরাধ) তাহলে যিনি তা দমনের উদ্দেশ্যে সন্ত্রাস করবেন তিনিও প্রথমে সন্ত্রাস সৃষ্টির দায়ে অপরাধী হবেন। তা ছাড়া সন্ত্রাসীদের কাছে মানবিক মূল্যবোধের যেহেতু কোনো মূল্য নেই, সেহেতু দু’পক্ষ মুখোমুখি হলে কেউই সহজে পরাজয় স্বীকার করে সন্ত্রাসী কাজে ইস্তফা দিতে চাইবে না। ফলে সংঘর্ষ, রক্তপাত, সহিংসতা বিস্তৃত হবে অনিবার্যভাবে। এটা অবশ্যই অযাচিত।
প্রশাসনও সুনির্দিষ্ট ত্রুটির কারণে সন্ত্রাস দমনে ব্যর্থ। আমাদের দেশে প্রশাসন ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার মতো অরাজক পরিস্থিতি আসেনি কখনো। আইন ছিল, আছে। অথচ সন্ত্রাস নিরাময় হয়নি। দেশে গণতান্ত্রিক সরকার ছিল, যার নির্বাহী ক্ষমতা সন্ত্রাসের মতো জনকষ্টদায়ক সমস্যা স্বল্প সময়েই নিরসন করতে সক্ষম। অথচ দেশের সামগ্রিক প্রেক্ষাপটে অতীতে কি সরকার সন্ত্রাস নির্মূল করতে পেরেছে? পারেনি।

রাসূল সাঃ-এর আদর্শই কি সন্ত্রাস দমনের একমাত্র পথঃ এক কথায় যদি বলি তাহলে বলব, হ্যাঁ, রাসূল সাঃ-এর আদর্শই সন্ত্রাস দমনের একমাত্র পথ। নৈতিক অবক্ষয়ের সিঁড়ি বেয়ে সন্ত্রাস নামে। সুতরাং সন্ত্রাস দমন করতে হলে জাতির চারিত্রিক উন্নতি অর্জন করা অপরিহার্য পূর্বশর্ত। এ শর্ত পূরণের জন্য নবী সাঃ-এর চরিত্রই অনুসরণযোগ্য। আল কুরআনে ঘোষণা দেয়া হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই রাসূলুল্লাহর মধ্যে রয়েছে তোমাদের জন্য উত্তম আদর্শ।’-সূরা আহজাব, আয়াত-২১। কুরআনের অন্যত্র নবী করিম সাঃ-কে উদ্দেশ করে বলা হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই আপনি সুমহান চরিত্রের অধিকারী।’ রাসূল সাঃ-এর চারিত্রিক গুণাবলির মধ্যেই সন্ত্রাস দমনের প্রাথমিক পদক্ষেপের সন্ধান আমরা পাই। দমন শব্দটির সাথে শক্তি প্রয়োগের ব্যাপার সম্পৃক্ত। এই শক্তি প্রয়োগ সন্ত্রাস প্রতিরোধে সম্মিলিত সহযোগিতারই নামান্তর, যাকে আমরা নাগরিক চেতনা বা নাগরিক দায়িত্ব ভাবতে পারি। অন্যায়, অসাধুতা ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে এমনই এক সহযোগী তরুণ সংগঠন রাসূল সাঃ-ই দাঁড় করিয়েছিলেন। ‘হিলফ-উল-ফুজুল’ নামের ওই প্রতিরোধক যুব সংগঠনের ঐতিহাসিক গুরুত্ব আজকের আধুনিক বিশ্বেও রয়েছে অ্লান। সম্মিলিত নাগরিক প্রতিরোধের মাধ্যমেও আমরা সন্ত্রাসকে দূর করতে পারি। নেতৃত্বের লোভে সন্ত্রাস সৃষ্টি হয়। রাসূল সাঃ নেতৃত্বের লোভকে অত্যন্ত ঘৃণার চোখে দেখেছেন। যারা নেতৃত্ব পাওয়ার জন্য লালায়িত তারা নেতা হওয়ার অযোগ্য বলে তিনি ঘোষণা করেন। উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের অসৎ চাপে বিচার ও শাসন বিভাগ স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে না। তিনি শাসন ও বিচার বিভাগের সম্পূর্ণ স্বাধীন ক্ষমতা প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। বড় বড় সন্ত্রাসী ঘটনার মূলে কখনো কখনো দেখা যায় সামান্য সহিষ্ণুতার অভাব। এই সহিষ্ণুতাবোধে আমরা উদ্দীপ্ত হতে দেখি আমাদের প্রিয় নবী সাঃ-এর আদর্শে, যার সামান্যতম প্রয়োগও সন্ত্রাস দমনে কার্যকরী ভূমিকা পালনে সক্ষম। সন্তানকে অপরাধী বানাতে পিতা-মাতাই বড় কারিগর। তাই সন্তানকে সচ্চরিত্রবানরূপে গড়তে নবীর আদর্শেই খুঁজে পাওয়া যায় সুষ্ঠু ও আলোকিত দিকনির্দেশনা। সন্তানকে মানুষের মতো মানুষরূপে গড়ে তোলার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব ইসলাম পিতা-মাতার ওপর অর্পণ করেছে। তারা যদি পরিকল্পিতভাবে তাদের সে দায়িত্ব পালন করেন তাহলে সন্তানদের পক্ষে সন্ত্রাসী হয়ে ওঠা সহজ হবে না।
ভ্রাতৃত্ববোধের অভাব সন্ত্রাসের জন্য দায়ী। সব মানুষকে ভ্রাতৃত্ববোধের অদৃশ্য সুতোয় গেঁথে দিয়েছিলেন আমাদের নবী। বিদায় হজের ভাষণে তিনি বলেছিলেন, ‘তোমরা সবাই মিলে একটি অখণ্ড ভ্রাতৃসঙ্ঘ।’ মানব জাতির সবাইকে ভ্রাতৃত্ব বন্ধনে বাঁধা গেলে কি আর সন্ত্রাস জন্ম নিতে পারত কখনো? তা ছাড়া বিচারের দিন প্রতিটি কর্মের হিসাব দিতে হবে আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে­ এ কথাও তিনি বিদায় হজে বলেছিলেন। পরকালে বিচারের মুখোমুখি হওয়ার এই বিশ্বাস আর ভীতি থাকলে সন্ত্রাস সঙ্ঘটিত হতো না বলাই বাহুল্য। সন্ত্রাসের মাধ্যমে মানুষকে কষ্ট দেয়ার পরিণতি হবে কিয়ামতের দিন অনেক ভয়াবহ।

আমাদের দেশ তথা বিশ্ব প্রেক্ষাপটে সন্ত্রাসবাদের অনাকাঙ্ক্ষিত বিস্তার সবাইকে শঙ্কিত করে তুলেছে। কিন্তু সন্ত্রাস দমনে বিশ্ব নেতৃবৃন্দ অনেকটা ব্যর্থ বা দিশেহারা বলা চলে। বিদগ্ধজনের অনেকেই বলে থাকেন, বিশ্বের কিছু পরাশক্তি সন্ত্রাসবাদ নির্মূল করার বিতর্কিত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। অথচ আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ বিস্তারের জন্য মূলত তারাই দায়ী। এমন পরিস্থিতিতে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব রাসূল সাঃ -এর সুমহান আদর্শই সন্ত্রাস দমনের একমাত্র উপায় ও পাথেয় হতে পারে, যে আদর্শের আজো বিকল্প তৈরি হয়নি। বিশ্ব নেতৃবৃন্দের উচিত বিশ্বনবীর সুমহান চারিত্রিক শিক্ষার দিকে ধাবিত হওয়া।

**************************
সালেহ মতীন
দৈনিক নয়া দিগন্ত, ২৮ মার্চ ২০০৮