Islamic Article Archive - http://articles.ourislam.org
শান্তিময় সমাজ ব্যবস্থায় ন্যায়বিচার
http://articles.ourislam.org/articles/134/1/aaaaaaaa-aaaa-aaaaaaaaa-aaaaaaaaaa/Page1.html
Article Poster
 
By Article Poster
Published on 04/4/2008
 
মুসলিম সমাজে সংঘটিত কোন সামাজিক অপরাধের জন্য কি শাস্তি হবে? এবং কিভাবে প্রয়োগ করা হবে তা নির্ধারিত হয় পবিত্র কোরআন, হাদিস বা এর উভয়ের সঙ্গে সাদৃশ্য এবং ইসলামী পণ্ডিতদের সর্বসম্মত সিদ্ধা- (ইজমা) অনুযায়ী। সবকিছুর ভিত্তিই কোরআন। হাদিস, ইজমা, কিয়াস ইত্যাদি কোন কিছুই কোরআনকে অতিক্রম করতে পারে না। যে যুগে যে স্থানে যে অপরাধেরই বিচার-সালিশ হোক না কেন তা পবিত্র কোরআনে প্রদত্ত দিকনির্দেশনা অনুযায়ী হওয়াই বাঞ্ছনীয়। পবিত্র কোরআনে বহুবার ন্যায়বিচার ও সুবিচার করার তাগিদ দেয়া হয়েছে। কোরআনে মহান আল্লাহপাক ইরশাদ করেন- পুরুষ কিংবা নারী যদি চুরি করে তবে তাদের হাত কেটে দেবে। এটা তাদের কৃতকর্মের দরুন আল্লাহর নির্ধারিত দণ্ড।

শান্তিময় সমাজ ব্যবস্থায় ন্যায়বিচার

মুসলিম সমাজে সংঘটিত কোন সামাজিক অপরাধের জন্য কি শাস্তি হবে? এবং কিভাবে প্রয়োগ করা হবে তা নির্ধারিত হয় পবিত্র কোরআন, হাদিস বা এর উভয়ের সঙ্গে সাদৃশ্য এবং ইসলামী পণ্ডিতদের সর্বসম্মত সিদ্ধা- (ইজমা) অনুযায়ী। সবকিছুর ভিত্তিই কোরআন। হাদিস, ইজমা, কিয়াস ইত্যাদি কোন কিছুই কোরআনকে অতিক্রম করতে পারে না। যে যুগে যে স্থানে যে অপরাধেরই বিচার-সালিশ হোক না কেন তা পবিত্র কোরআনে প্রদত্ত দিকনির্দেশনা অনুযায়ী হওয়াই বাঞ্ছনীয়। পবিত্র কোরআনে বহুবার ন্যায়বিচার ও সুবিচার করার তাগিদ দেয়া হয়েছে। কোরআনে মহান আল্লাহপাক ইরশাদ করেন-  পুরুষ কিংবা নারী যদি চুরি করে তবে তাদের হাত কেটে দেবে। এটা তাদের কৃতকর্মের দরুন আল্লাহর নির্ধারিত দণ্ড।

মহানবী (সা·) তরুণ বয়সে ‘হিলফুল ফুজুল’ নামক যে সেবক সংগঠন করেছিলেন, সেটি ছিল সন্ত্রাস, অন্যায়-অত্যাচার প্রভৃতির বিরুদ্ধে সুসংঘবদ্ধ একটি সংগঠন। এর লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ছিল অসহায় ও দুর্গতদের সাহায্য করা, অত্যাচারীকে সাহায্য করা, সমাজের শান্তি-শৃংখলা রক্ষা করা, সন্ত্রাসী কার্যকলাপ বন্ধ করা। সমাজ থেকে অপরাধ প্রবণতা প্রতিরোধে মহানবী (সা·) ছিলেন বদ্ধপরিকর। প্রিয়নবী (সা·)-এর দরবারে কখনোই অন্যায়ের প্রশ্রয় ছিল না। প্রতিটি বিচারের ক্ষেত্রেই তিনি তার বিচক্ষণতা, দূরদর্শিতা ও ন্যায়পরায়ণতার আশ্রয় নিতেন। বুখারি শরিফে উল্লেখ আছে, জনৈক সাহাবি হেলাল ইবনে উমাইয়া (রা·), তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে ব্যভিচারের অপবাদ দিলে মহানবী (সা·) বললেন, সাক্ষী-প্রমাণ উপস্থিত করো, অন্যথায় তোমার পিঠে কষাঘাত করা হবে। ওই সাহাবি বললেন, ‘হে রাসূলুল্লাহ আমাদের কেউ যদি নিজে তার স্ত্রীর (বুকের) ওপর অন্য একজন পুরুষকে দেখে তবুও কি সাক্ষী খুঁজতে যাবে? এরপরও নবী (সা·) বলতে লাগলেন, সাক্ষী-প্রমাণ উপস্থিত করো অন্যথায় তোমার পিঠে কষাঘাত করা হবে।’

অন্যায়ের শাস্তির বিধান সম্পর্কে কোরআন ও হাদিসে যে দিকনির্দেশনা দেয়া আছে তা যদি আমরা যথাযথভাবে পালন করতে পারি তাহলে আমাদের সমাজ থেকে জুলুম, অন্যায়-অত্যাচার, ব্যভিচার দূরীভূত হবে এবং সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা লাভ করবে।
সাইদুল মাহমুদ দুলাল

**************************
যুগান্তর, ৪ এপ্রিল ২০০৮