Islamic Article Archive - http://articles.ourislam.org
কুসুফ ও খুসুফের নামাজ
http://articles.ourislam.org/articles/14/1/aaaaa-a-aaaaaaa-aaaaa/Page1.html
Article Poster
 
By Article Poster
Published on 12/1/2007
 
কুসুফ বলে সূর্যগ্রহণকে এবং খুসুফ বলে চন্দ্রগ্রহণকে। সূর্যগ্রহণের সময় যে নামাজ পড়া হয় তাকে ‘সালাতুল কুসুফ’ বলে। চন্দ্রগ্রহণের সময় যে নামাজ পড়া হয় তাকে বলে ‘সালাতুল খুসুফ’।

কুসুফ ও খুসুফের নামাজ

কুসুফ বলে সূর্যগ্রহণকে এবং খুসুফ বলে চন্দ্রগ্রহণকে। সূর্যগ্রহণের সময় যে নামাজ পড়া হয় তাকে ‘সালাতুল কুসুফ’ বলে। চন্দ্রগ্রহণের সময় যে নামাজ পড়া হয় তাকে বলে ‘সালাতুল খুসুফ’। সূর্যগ্রহণের সময় দু’রাকাত নামাজ পড়া সুন্নত (আল্লাহর নিমিত্ত দু’রাকাত কুসুফের নামাজ পড়ছি- এই বলে নিয়ত করতে হবে)।

* সূর্যগ্রহণের সময় নামাজ জামায়াতের সঙ্গে পড়তে হয়। ইমামতের হকদার তৎকালীন মুসলমান শাসক বা তার নিযুক্ত ব্যক্তি। এক রেওয়াত অনুসারে প্রত্যেক মসজিদের ইমাম নিজ নিজ মসজিদে জামায়াত করে সূর্যগ্রহণের নামাজ পড়তে পারেন (যদি ইমাম না পাওয়া যায়, তবে প্রত্যেকে একা একা নামাজ পড়বে এবং মহিলারা নিজ নিজ ঘরে পৃথকভাবে নামাজ আদায় করে নেবে)।

* কুসুফের নামাজের জন্য আজান বা ইক্বামত দেয়া জায়েজ নয়। পাড়ার লোকদের একত্র করার জন্য ‘নামাজে চল, নামাজে চল’ বলে একজন লোক উচ্চস্বরে ঘোষণা করতে পারবে।

* সাখাতুল কুসুফের মধ্যে সূরা বাকারার মতো অনেক লম্বা ক্বেরাত পাঠ করা এবং রুকু সেজদা অনেক লম্বা করা সুন্নত এবং ক্বেরাত চুপে চুপে পড়তে হবে।

* নামাজ শেষে ইমাম সূর্য গ্রহণ শেষ না হওয়া পর্য- দু’হাত উঠিয়ে দোয়া করতে থাকবে (আর নিজেদের কৃত পাপের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকবে)। মুক্তাদিরা আমিন আমিন বলতে থাকবে। গ্রহণ শেষ না হওয়া পর্য- দোয়ায় মগ্ন থাকবে। অবশ্য যদি গ্রহণ ছাড়ার আগে সূর্য অস্ত যায় বা কোন ফরজ নামাজের ওয়াক্ত হয়, তবে দোয়া বন্ধ করে নামাজ পড়ে নেবে।

* চন্দ্রগ্রহণের সময়ও অ-ত দু’রাকাত নামাজ পড়া সুন্নত। কিন্তু চন্দ্রগ্রহণের নামাজের জন্য জামায়াতে নামাজ পড়া বা মসজিদে যাওয়া সুন্নত নয়। প্রত্যেকেই নিজ নিজ বাড়িতে পৃথক পৃথকভাবে একাকী নামাজ পড়ে নেবে।

সূত্রঃ বেহেশতি জেওর


**************************
গ্রন্থনাঃ আশফাক মুহতাসিন
উৎসঃ দৈনিক যুগান্তর, ৩০শে নভেম্বর ২০০৭