পবিত্র কুরআনের বাণী
১। হে ঈমানদারগণ। তোমাদের ওপর রোযা ফরজ করা হয়েছে যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী নবীদের উম্মতগণের ওপর। আশা করা যায় তোমাদের মধ্যে তাকওযারগুণ ও বৈশিষ্ট্য জাগ্রত হবে। সূরা বাকারা-১৮৩
২। রোযার মাসে রাত্রিবেলা স্ত্রীদের সাথে দৈহিক মিলন তোমাদের জন্য হালাল করে দেয়া হয়েছে। তারা তোমাদের জন্যে পোশাক স্বরূপ আর তোমরাও তাদের জন্যে পোশাকস্বরূপ। (সূরা বাকারা ১৮৭)
৩। আর রাত্রিবেলা খাবার গ্রহণ কর যতক্ষণ পর্যন্ত না তোমাদের সম্মুখে রাত্রির বুক হতে প্রভাতের শেষ আভা সুস্পষ্ট হয়ে ওঠে। তখন এসব কাজ পরিত্যাগ করে রাত্রি পর্যন্ত তোমরা রোযা পূর্ণ করে লও। সূরা বাকারা-১৮৭
হাদিসের বাণী
১। হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, হযরত রাসূলে আকরাম(স) এরশাদ করেছেন, তোমাদের কাছে রমযান মাস উপস্থিত হয়েছে। উহা অত্যন্ত বরকতময় মাস। আল্লাহ তায়ালা এমাসে তোমাদের প্রতি রোযা ফরজ করেছেন। এ মাসে আকাশের দরজাসমূহ উম্মুক্ত হয়ে যায়। আর জাহান ্নামের দরজাগুলো বন্ধ হয়ে যায়। এবঙ এ মাসে বড় বড় ও সেরা শায়তানগুলো আটক করে রাখা হয়। আল্লাহর জন্যে এ মাসে একটি রাত আছে, যা হাজার মাসের চেয়েও অনেক উত্তম। যে লোক এই রাত্রির মহাকল্যালন লাভ হতে বঞ্চিত থাকল, সে সত্যিই বঞ্চিত ব্যক্তি।
(নাসাঈ, মুসনাদে আহমদ, বায়হাকী)
২। হযরত আবুহুরায়রা (রা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুল (স) ঘোষণা করেছেন, যে ব্যক্তি রমযান মাসের রোযা রাখবে ঈমান ও চেতনা সহকারে, তার পূর্বাপর গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হয়। (বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী, নাসাঈ)
৩। হযরত আবুহুরায়রা (রা) হতে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ (স) বলেছেন, যে ব্যক্তি মিথ্যা কথাও মিথ্যা কাজ পরিহার করল না, তবে এমন ব্যক্তির পানাহার পরিত্যাগ করার মাঝে কোনো প্রয়োজন নেই।(সহীহ বুখারী)
**************************
সংকলনঃ হুসাইন আল জাওয়াদ
দৈনিক ইত্তেফাক, ২৯ আগষ্ট ২০০৮