১• রমজান মাস, এ মাসেই কুরআনুল কারিম নাযিল হয়েছে, তা গোটা মানবজাতির জন্য জীবন-যাপনের বিধান এবং তা এমন সুস্পষ্ট উপদেশাবলিতে পরিপূর্ণ যা সঠিক ও সত্য পথপ্রদর্শন করে এবং হক ও বাতিলের পার্থক্য পরিষ্কাররূপে তুলে ধরে। (সূরা বাকারা-১৮৫)
২• আজ হতে যে ব্যক্তিই এ মাসের সম্মুখীন হবে তার পক্ষে পূর্ণ মাসের রোজা রাখা একান্ত কর্তব্য। আর যদি কেউ অসুস্থ হয় কিংবা ভ্রমণ কার্যে ব্যস্ত থাকে, তবে সে যেন অন্যান্য দিনে এ রোজা পূর্ণ করে নেয়। (সূরা বাকারা-১৮৫)
হাদিসের বাণী
১• বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) বর্ণনা করেছেনঃ হযরত রাসূলে করিম (স•) বলেছেন, রোজা ঢালস্বরূপ। তোমাদের কেউ কোনদিন রোজা রাখলে তার মুখ থেকে যেন খারাপ কথা বের না হয়। কেউ যদি তাকে গালমন্দ করে বা বিবাদে প্ররোচিত করতে চায়, সে যেন বলে আমি রোজাদার। (বুখারী/মুসলিম)
২• হযরত আবু হুরায়রা (রা•) আরো বর্ণনা করেছেনঃ রাসূলে করিম (স•) বলেছেন, আদম সন্তানের প্রতিটি নেক আমলের সওয়াব দশ থেকে সাতশ’ গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়। কিন্তু আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, রোজা এই সাধারণ নিয়মের ব্যতিক্রম। কেননা তা একান্তভাবে আমারই জন্যে। অতএব আমি (যেভাবে ইচ্ছা) তার প্রতিফল দেব। রোজা পালনে আমার বান্দা আমারই সন্তোষ বিধানের জন্যে স্বীয় ইচ্ছা-বাসনা ও নিজের পানাহার পরিত্যাগ করে থাকে। রোজাদারের জন্য দুইটি আনন্দ- একটি ইফতারের সময় এবং অন্যটি তার মালিক-মনিব আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ লাভের সময়। নিশ্চয়ই জেনে রেখ রোজাদারের মুখের গন্ধ মহান আল্লাহর কাছে সুগন্ধি হতেও অনেক উত্তম। (বুখারী/ মুসলিম)
**************************
সংকলনঃ মাওলানা মোহাম্মদ মফিজুল ইসলাম
দৈনিক ইত্তেফাক, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০০৮