Islamic Article Archive - http://articles.ourislam.org
কোরবানির ফজিলত ও মাসয়ালা
http://articles.ourislam.org/articles/46/1/aaaaaaaaa-aaaaa-a-aaaaaaa/Page1.html
Article Poster
 
By Article Poster
Published on 12/14/2007
 
কোরবানি করা অত্যন্ত ছওয়াবের কাজ হাদিস শরিফে বর্ণিত আছে কোরবানির তারিখের কোরবানি করাই আল্লাহতায়ালার কাছে সবচেয়ে বেশি প্রিয়। কোরবানির রক্ত ভুমিতে পতিত হওয়ার আগেই আল্লাহতায়ালার দরবারের কবুল হয়ে যায়। হজরত রাসুলে কারিম (সা.) বলেছেন, কোরবানির পশুর যত পশম থাকে তার পরিবর্তে ৩৩টি পুণ্য লেখা হয়ো থাকে। সুতরাং কোরবানি দ্বারা নেক হাসিল হয়। এতে কোনো সন্দেহ নেই।

কোরবানির ফজিলত ও মাসয়ালা

কোরবানি করা অত্যন্ত ছওয়াবের কাজ হাদিস শরিফে বর্ণিত আছে কোরবানির তারিখের কোরবানি করাই আল্লাহতায়ালার কাছে সবচেয়ে বেশি প্রিয়। কোরবানির রক্ত ভুমিতে পতিত হওয়ার আগেই আল্লাহতায়ালার দরবারের কবুল হয়ে যায়। হজরত রাসুলে কারিম (সা.) বলেছেন, কোরবানির পশুর যত পশম থাকে তার পরিবর্তে ৩৩টি পুণ্য লেখা হয়ো থাকে। সুতরাং কোরবানি দ্বারা নেক হাসিল হয়। এতে কোনো সন্দেহ নেই।

ক. কোরবানি কার উপর ওয়াজিবঃ যার উপর ফিতরা ওয়াজিব তার ওপর কোরবানি করা ওয়াজিব। অর্থাৎ ১০ জিলহজের ফজর থেকে ১২ জিলহজের সন্ধ্যা পর্যন্ত সময়ের মধ্যে যখনই কোনো ব্যক্তি নিসেবের মধ্যে হবে। তার ওপর কোরবানি করা ওয়াজিব।

* কোরবানি ওয়াজিব হওয়ার জন্য শর্ত
১. মুসলমান হওয়া
২. স্বাধীন হওয়া
৩. মুকিম হওয়া মুসাফিরের ওপর কোরবানি ওয়াজিব নয়।

* কোরবানির পশু! গরু, মহিষ, উট, ছাগল, মেষ, দুম্বা, এই কয় প্রকার গৃহপালিত পশু ব্যতীত অন্য কোনো পশু দ্বারা কোরবানি করা দুরস্ত নয়।

* কোরবানি থেকে শিক্ষাঃ কোরবানি করা মহাত্যাগ এর দ্বারা মুসলমানের মনে খোদাভীতি সৃষ্টি হয়। কোরবানির মুল উদ্দেশ্যে হচ্ছে আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের সন্তুষ্টি লাভ করা। যেমনভাবে সাইয়্যেদুনা হজরত ইব্রাহীম (আঃ) তদীয়পুত্র ঈসমাইলকে কোরবানির মাধ্যমে আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের রেজামন্দি হাসিল করেছেন। কারণ আল্লাহতায়ালা শুধু দেখবেন কোরবানি দাতার অন্তর ও তাকওয়া তাই আমাদের প্রত্যেকের এই নিয়ত থাকতে হবে। আমার নামাজ, কোরবানি, জীবন-মৃত্যু একমাত্র আল্লাহতায়ালার জন্য। এই নিয়তের মাধ্যমে সফলতা আসবে এবং প্রত্যেক মুসলমানের মধ্যে আত্মশুদ্ধি লিল্লাহিয়াত, ভ্রাতৃত্ববোধ ও ধর্মীয় অনুভুতি কায়েম হবে। এটাই হচ্ছে আসন্ন কোরবানির শিক্ষা এবং দীক্ষা। (আমিন)


***************************
লেখকঃ  পীরজাদা মোঃ নিজামুদ্দীন আজাদী
দৈনিক আমারদেশ, ১৪ ডিসেম্বর ২০০৭