প্রথম আলো হজ সংখ্যা
- By Article Poster
- Published 11/27/2007
- হজ্জ্ব
-
Rating:




তামাত্তু কিরান ইফরাদ
১· উমরার ইহরাম (ফরজ) হজ ও উমরার ইহরাম (ফরজ) হজের ইহরাম (ফরজ)
২· উমরার তাওয়াফ (ফরজ) উমরার তাওয়াফ (ফরজ) -
৩· উমরার সাঈ (ওয়াজিব) উমরার সাঈ (ওয়াজিব) -
৪· - তাওয়াফে কুদুম (সুন্নাত) তাওয়াফে কুদুম (সুন্নাত)
৫· - সাঈ (ওয়াজিব) -
৬· মাথা মুণ্ডন করা বা চুল - -
খাটো করা (ওয়াজিব)
৮ জিলহজ জোহরের নামাজের পূর্ব থেকে
৭· হজের ইহরাম (ফরজ) - -
৮· মিনায় রাতযাপন (সুন্নত) মিনায় রাতযাপন (সুন্নাত) মিনায় রাতযাপন (সুন্নাত)
৯· জোহর, আসর, মাগরিব, জোহর, আসর, মাগরিব, এশা, জোহর, আসর, মাগরিব, এশা,
এশা, ফজর নামাজ মিনায় ফজর নামাজ মিনায় পড়া ফজর নামাজ মিনায় পড়া
পড়া (মুস্তাহাব) (মুস্তাহাব) (মুস্তাহাব)
৯ জিলহজ সূর্যোদয়ের পর
১০· আরাফাতে অবস্থান (ফরজ) আরাফাতে অবস্থান (ফরজ) আরাফাতে অবস্থান (ফরজ)
আরাফার দিন সূর্যোস্তের পর মুজদালিফার দিকে রওনা
১১· মুজদালিফায় অবস্থান মুজদালিফায় অবস্থান মুজদালিফায় অবস্থান
(ওয়াজিব) (ওয়াজিব) (ওয়াজিব)
১০ জিলহজ
১২· বড় জামরাকে (শয়তান) বড় জামরাকে (শয়তান) বড় জামরাকে (শয়তান)
কঙ্কর মারা (ওয়াজিব) কঙ্কর মারা (ওয়াজিব) কঙ্কর মারা (ওয়াজিব)
১৩· কুরবানি করা (ওয়াজিব) কুরবানি করা (ওয়াজিব) -
১৪· মাথার চুল পুরো ফেলে দেওয়া মাথার চুল পুরো ফেলে দেওয়া মাথার চুল পুরো ফেলে দেওয়া
বা চুল খাটো করা (ওয়াজিব) বা চুল খাটো করা (ওয়াজিব) বা চুল খাটো করা (ওয়াজিব)
শারীরিক সম্পর্ক ছাড়া সবকিছু হালাল হবে
১৫· তাওয়াফ (ইফাজা বা তাওয়াফ (ইফাজা বা জিয়ারত) তাওয়াফ (ইফাজা বা
জিয়ারত) (ফরজ) (ফরজ) জিয়ারত) (ফরজ)
সম্পূর্ণ হালাল হয়ে যাবে
১৬· সাঈ (ওয়াজিব) - সাঈ (ওয়াজিব)
১১-১২ জিলহজ জোহরের সময় থেকে শুরু করে কঙ্কর মারা
১৭· ১১-১২ তারিখ ছোট, মধ্যম, ১১-১২ তারিখ ছোট, মধ্যম, ১১-১২ তারিখ ছোট, মধ্যম,
বড় শয়তানকে পাথর মারা বড় শয়তানকে পাথর বড় শয়তানকে পাথর
(ওয়াজিব) মারা (ওয়াজিব) মারা (ওয়াজিব)
১৮· বিদায়ী তাওয়াফ (ওয়াজিব) বিদায়ী তাওয়াফ (ওয়াজিব) বিদায়ী তাওয়াফ (ওয়াজিব)
উল্লেখ্য, ইফরাদ ও কেরান হজকারী তাওয়াফে কুদুম করবেন। তাওয়াফে কুদুমের সঙ্গে সাঈ করলে তাওয়াফে জিয়ারতের পর আর সাঈ করতে হবে না।তবে কেরান হজকারীদের জন্যতাওয়াফে কুদুমের সঙ্গে সাঈ করা, ইফরাদ হজকারীদের জন্য তাওয়াফে জিয়ারতের সঙ্গে সাঈ করা উত্তম। তামাত্তুকারীরা হজের ইহরামের পরে নফল তাওয়াফ করে সাঈ করে নিলে তাওয়াফে জিয়ারত বা ইফাজের সময় আর সাঈ করতে হবে না।