Islamic Article Archive

Article Poster

(Page 1 of 11)   
« Prev
  
1
  2  3  4  5  Next »

 Articles by this Author

খাওলা বিনতে সালাবা আরবের একজন অতি সাধারণ নারী, গৃহবধূ। আর পাঁচ দশজন সাধারণ নারীর ন্যায়ই স্বামী-সন্তানসহ তার পারিবারিক জীবন। কিন্তু ইতিহাসের পাতায় বিশেষ করে মুসলিম ইতিহাসে তিনি এক অনন্য স্থান দখলকরে আছেন। তিনি সে-ই সাধারণ মানের গৃহিণী যার আকুল আহবানে মহানআল্লাহ পবিত্র কোরআনে এক বিধান জারি করে তাকে মহাসম্মানের আসনে ভূষিত করে রেখেছেন।
পত্রিকার পাতায় আমরা মাঝে মধ্যে পড়ে থাকি আত্মহত্যার সংবাদ। নানা প্রতিকূল পরিস্থিতিতে বিভিন্ন রকমের নারী ও পুরুষ বেছে নেন আত্মহননের দুর্ভাগ্যজনক পথ। আত্মহত্যা মহাপাপ জেনেও তারা এই মর্মান্তিক পথে পা বাড়ান। আত্মহত্যা মানে নিজকে নিজে ধ্বংস করা। নিজ আত্মাকে চরম যন্ত্রণা ও কষ্ট দেয়া। নিজ হাতে নিজের জীবনের সকল কর্মকাণ্ডের পরিসমাপ্তি ঘটানো।
“আর হে নবী! আমার বান্দা যদি তোমার কাছে আমার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে, তাহলে তাদেরকে বলে দাও, আমি তাদের কাছেই আছি। যে আমাকে ডাকে আমি তার ডাক শুনি এবং জবাব দেই, কাজেই তাদের আমার আহবানে সাড়া দেয়া এবং আমার ওপর ঈমান আনা উচিত, এ কথা তুমি তাদের শুনিয়ে দাও, হয়তো সত্য-সরল পথের সন্ধান পাবে।” (সুরা বাকারাঃ ১৮৬)
বিশ্বজাহানের স্রষ্টা মহান আল্লাহ পবিত্র মদীনা ভূমিকে তাঁর প্রিয় হাবীব মুহাম্মদ(সাঃ)-এর হিজরতস্থল ও কিয়ামত পর্যন্ত ইসলামের অনুসারীদের প্রধান আধ্যাত্মিক কেন্দ্ররূপে মনোনীত করেছেন। তিনি এ ভূমিকে আরও ধন্য করেছেন শেষ নবীর শেষ আশ্রয়স্থল হিসেবে। তাই এই শহরের মর্যাদা অপরিসীম। মুসলমানদের কাছে মক্কার পরেই এ শহরের গুরুত্ব। নবীজীর রওজা ছাড়াও এর প্রতিটি অলিগলিতে রয়েছে ইসলামের পুরনো দিনের স্মৃতি।
লোকটার জবাবে বিস্মিতই হতে হলো আমাদের। ‘চৌদ্দগ্রামে কোনো আবাসিক হোটেল নেই’। তাহলে আমাদের মতো মুসাফিররা এখানে এসে কী করেন! ‘আপনারা যা করবেন তাই করেন তারা’। খুব স্বাভাবিকভাবেই উত্তর করল হাসপাতালের কর্মচারীটি। ‘ঢাকা ফেরত যাবেন নতুবা মহিপালের কোনো হোটেলে উঠতে হবে’। বলেন কী! এত্ত রাতে আবারও গাড়ির ঝামেলা! অগত্যা তাই করতে হলো আমাদের। লোকটি বহু কষ্ট করে আমাদের উঠিয়ে দিলেন একটি মালবাহী কার্গোতে।
জাতি, ধর্ম, বর্ণ, নির্বিশেষে মায়ের মর্যাদা সবার ঊর্ধ্বে, মায়ের আঁচলে সন্তানের সুখ, মায়ের মর্যাদা জান্নাতের সমান। মহানবী (সাঃ) ঘোষণা করেছেন, ‘মায়ের পদতলে সন্তানের বেহেশত।’ আমাদের সবারই জানা আছে আজকের কন্যাসন্তানরাই আগামী দিনের মা। তাই নবী করিম (সাঃ) শিক্ষা-দীক্ষায়, জ্ঞান-গরিমায় কাজকর্মে কন্যাসন্তানকে প্রাধান্য দিতে বলেছেন।
কোন অবস্থাতেই নামাজ ছাড়া যাবে না। যতক্ষণ পর্যন্ত দাঁড়িয়ে নামাজ পড়তে সক্ষম, ততক্ষণ দাঁড়িয়ে নামাজ পড়বেন। আর দাঁড়াতে সক্ষম না হলে বসে নামাজ পড়বেন। বসে বসে রুকু-সেজদাহ আদায় করবেন।
ইসলাম-পুর্ব জাহিলী যুগে নারীকে মানুষই মনে করা হতো না। ইসলাম নারীকে সম্মানজনক অধিকার দিয়েছে। তবে সর্বক্ষেত্রে তাকে পুরুষের সমান অধিকার দেয়নি। বরং সামগ্রিকভাবে পুরুষকেই শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছে। পবিত্র কুরআনের ভাষায়, ‘পুরুষরা নারীর উপর কর্তৃত্বশীল। কারণ আল্লাহ তাদের একে অপরের উপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন এজন্য যে, পুরুষরা তাদের ধন-সম্পদ ব্যয় করে (সুরা নিসা-আয়াত নং ৩৪)। এ আয়াতের ব্যাখ্যায় তাফসির কারগন উল্লেখ করেছেন, কুরআনের আয়াতের বক্তব্য অনুযায়ী প্রতীয়মান হয় যে, নারী-পুরুষের অধিকার পরস্পর সামঞ্জস্যশীল। বরং পুরুষের তুলনায় নারীর দুর্বলতার কারণে তাদের অধিকারের ক্ষেত্রে তুলনামুলক অধিক গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। কিন্তু এই সমতার অর্থ এই নয় যে, পুরুষ ও নারীর মধ্যে মর্যাদায় বা কোনো ক্ষেত্রেই কোনো পার্থক্য থাকবে না।
পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ মানব মহানবী (সাঃ)-এর জন্ম এবং ইসলাম ধর্ম আবির্ভূত হওয়ার পর সারা পৃথিবীর নারী জাতিকে সম্মানের উচ্চ শিখরে অবস্থান করার সুযোগ সৃষ্টি হয়। রাসূলে করিম (সাঃ) নারী জাতিকে পশুর চেয়ে নিম্নস্তর থেকে উন্নীত করে পুরুষের সমপর্যায়ে দাঁড় করিয়ে দিয়েছেন।
ইসলামে গীবত বা পরনিন্দা করাকে সম্পূর্ণরূপে হারাম করা হয়েছে। গীবত শোনাও অন্যায়। সুতরাং গীবত যে রকম পাপ, শ্রবণ করাও তেমনি পাপ। চায়ের আসরে বা কোন আলাপচারিতায় পরচর্চা করা যেন স্বভাবসুলভ ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। বৈঠকে গীবত ছাড়া পুরো আলোচনাই যেন অসম্পূর্ণ থেকে যায়।


No popular authors found.
No popular articles found.