Islamic Article Archive

Article Poster

(Page 5 of 32)   « Prev  3  4  
5
  6  7  Next »

 Articles by this Author

সন্ত্রাস বর্তমান সময়ে আমাদের দেশসহ সারাবিশ্বে একটি বহুল আলোচিত ও উদ্বেগের বিষয় হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে। শুধু এ দেশেই বা বলি কেন? গোটা বিশ্বেই এটি এখন সর্বাধিক ভাবনার বিষয়বস্তু। বিজ্ঞানের অভাবনীয় উন্নতি ও পরমাণু আবিষ্কারের আজকের যুগেও বিশ্ব নেতৃবৃন্দ রীতিমতো শঙ্কিত হচ্ছেন সন্ত্রাসবাদের ক্রমবিস্তারের কথা ভেবে। সন্ত্রাসকে যদি সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করি তাহলে কোনো কোনো ক্ষেত্রে জাতীয় কিংবা আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে এটিই এখন প্রধান সমস্যা। বলা বাহুল্য, আমাদের দেশে বর্তমানে এটি একটি জাতীয় সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত।
সুবেহ সাদেক বা প্রকৃত প্রভাতের উদয়ের সাথে সাথে সেহরির সময় শেষ এবং ফজরের নামাজের সময় শুরু হয় এবং সুবেহ সাদেকের সূচনাকাল নির্ধারণের সম্পর্ক রয়েছে ফজরের (প্রভাত) আলোর প্রকৃতি ও বিস্তৃতির সাথে। অপর দিকে এশা নামাজের সময় ‘শাফাক’ অর্থাৎ সান্ধ্য আলোর অস্তের সাথে সম্পর্কিত। দিগন্তের ওপর সূর্যের আলোর অবস্থা সবসময় এবং সর্বত্র এক রকম থাকে না বিধায় বিকল্প হিসেবে তাকদিরের মাধ্যমে ফাজরে সাদেক বা প্রকৃত প্রভাতের উদয় ও শাফাক বা সান্ধ্য আলোর অস্ত যাওয়ার সময় নির্ধারণ অতীব গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।
ইসলাম পূর্ণাঙ্গ, গতিশীল এবং শান্তিময় শাশ্বত জীবন ব্যবস্থা। ইসলাম শব্দের বুৎপত্তিগত অর্থ বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এর শব্দমূল হচ্ছে সিন-লাম-মিম অর্থাৎ সালাম- যার অর্থ শান্তি। মূলত ইসলাম সব ক্ষেত্রে শান্তিরই কথা বলে। ইসলামে পারস্পরিক অভিবাদনেও শান্তিই কামনা করা হয়। ইসলামে সাম্প্রদায়িকতার কোন স্থান নেই। সূরা বাকারার ১১ নং আয়াতে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন ইরশাদ করেন- পৃথিবীতে অশান্তি সৃষ্টি করো না।
জাকার্তা নগরীতে অবস্থিত ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় মসজিদের নাম ইসতিকলাল মসজিদ। ইসতিকলাল শব্দের অর্থ স্বাধীনতা। ইসতিকলাল মসজিদ মুসলিম বিশ্বের বৃহত্তম রাষ্ট্র ইন্দোনেশিয়ার বৃহত্তম মাসজিদ। ইন্দোনেশিয়ানরা শাফেয়ি মাজহাবের সুন্নি মুসলিম।
রুগ্ন ব্যক্তি যদি মাথা দিয়ে ইশারা করে নামাজ আদায়ে সক্ষম না হয়, তবে তিনি নামাজ পড়বেন না। আবার এ অবস্থা যদি একদিন একরাত থেকে বেশি সময় স্থায়ী হয়, তবে নামাজ একেবারে মাফ হয়ে যায়।
একমাত্র আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের ইবাদত, দাসত্ব ও বন্দেগি করা জ্ঞান-বিবেকের, বুদ্ধি ও প্রকৃতির দাবি। মানুষ সৃষ্টি ও প্রতিপালনের ব্যাপারে যাদের কোনই হাত নেই এবং থাকতে পারে না, তাদের ইবাদত-বন্দেগি করা মূর্খতার নামা-র এবং অযৌক্তিক। মানুষ যিনি সৃষ্টি করেছেন, তাঁর এবাদত-বন্দেগি করা যুক্তি ও বিবেকের দাবি।
মহানবী (সা·) নবুয়ত প্রাপ্তির পর তাঁর স্বগোত্রীয় লোকদের মাঝে মহান আল্লাহপাকের ঐশী গ্রন্থ আল-কোরআনুল কারিমের শাশ্বত বাণী প্রচার করতে চাইলেন। কিন্’ তাঁর স্বগোত্রীয় লোকেরা তা সহজে মেনে নিতে পারলেন না। তাই মহানবী (সা·) নিজ জন্মভূমি মক্কা ছেড়ে দূরে তায়েফবাসীর কাছে ইসলামের অমীয় বাণী প্রচারের মনস্থির করেন। পালক পুত্র হজরত আবদুল্লাহ ইবনে জায়েদকে (রা·) সঙ্গে নিয়ে তিনি তায়েফ নগরে গমন করেন।
একটি সুখী শান্তিপূর্ণ সুন্দর সমাজ গঠনে শালীনতাপূর্ণ, রুচিসম্মত ও মার্জিত বেশভূষা, চাল-চলন ও আচার-আচরণের গুরুত্ব অপরিসীম। অশালীন বেশভূষা ও আচার-আচরণ মানুষের মধ্যকার পশুবৃত্তিকে জাগিয়ে তোলে। কুৎসিত কামনাকে উত্তেজিত করে। এতে নানারকম পারিবারিক ও সামাজিক বিশৃংখলার সৃষ্টি হয়।
রাসূল সাঃ-এর জন্মের আগেও সমকালীন অর্থাৎ আইয়ামে জাহেলিয়াতের যুগে নারীজাতির অবস্থা এতটাই খারাপ পর্যায়ে নেমে গিয়েছিল যে, কন্যাসন্তান জন্মগ্রহণ করলে পিতা-মাতা তো নিন্দিত হতেনই, সাথে সাথে সংশ্লিষ্ট বংশ বা গোত্রকেও ধিক্কার কুড়াতে হতো।


No popular authors found.
No popular articles found.