Islamic Article Archive

Article Poster

(Page 1 of 7)   
« Prev
  
1
  2  3  4  5  Next »

 Articles by this Author

(মুফতি মুহাম্মদ নুরুদ্দীন , জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের ভারপ্রাপ্ত খতিব ও সিনিয়র পেশ ইমাম) হজের প্রথম দিন ৭ জিলহজ ৭ জিলহজ থেকে ১২ জিলহজ পর্যন্ত দিনগুলোকে ‘আইয়্যামে হজ’ বলা হয়। এই দিনগুলোর মধ্যে ইসলামের একটি গুরুত্বপুর্ণ রুকন আদায় করা হয়। ৬ জিলহজের সুর্যাস্তের পর থেকে ৭ জিলহজের রাত শুরু হয়ে যায়। ইহরামের নিয়তে গোসল করে সেলাইকৃত কাপড় খুলে ইহরামের চাদর পরিধান করবে। অত:পর পুরুষ হাজিরা হারাম শরিফে আসবে এবং তাওয়াফ করবে।
(শায়খুল হাদীস আল্লামা আজিজুল হক) জামিআ রাহ‌মানিয়া আরাবিয়া মোহাম্মদপুর মাদ্রাসার শায়খ শায়খুল হাদীস আল্লামা আজিজুল হকের কাছে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে, হজ্বের জন্য ইহরাম বাঁধার বিধান রয়েছে। ইহরাম বলতে কী বোঝায়? ইহরাম কখন বাঁধতে হয় এবং ইহরামের নির্দিষ্ট স্থান কয়টি এবং কী কী?
(মুফতি ফজলুল হক আমিনী, প্রিসিপাল, জামেয়া কোরআনিয়া আরাবিয়া লালবাগ মাদ্রাসা) ‘হজ্ব’-এর আভিধানিক অর্থ হলো কোনো মহৎ কাজে ইচ্ছা করা। আর শরিয়তের পরিভাষায় নির্দিষ্ট দিনে নিয়তসহ ইহরামরত অবস্থায় আরাফার ময়দানে অবস্থান করা এবং বায়তুল্লাহ শরীফ তাওয়াফ করা। নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক যে ব্যক্তির এ পরিমাণ ধনসম্পদ আছে যে, সে হজের সফর (পথ খরচ) বহন করতে সক্ষম এবং তার অনুপস্থিতিকালীন তার পরিবারবর্গের প্রয়োজন মেটানোর মতো খরচও রেখে যেতে সক্ষম, এমন ব্যক্তির ওপর হজ ফরজ।
(মাওলানা মুহিউদ্দীন খান, সম্পাদক, মাসিক মদীনা) মক্কা মোকাররমায় আসার পর ওমরাহ আদায় করতে হবে। সুতরাং মসজিদে হারামে প্রবেশ করার পর ‘তাহিয়্যাতুল মসজিদে’র দুই রাকাআত নফল নামাজ পড়বে না। কারণ এ মসজিদের ‘তাহিয়্যাহ’ হল তাওয়াফ। এজন্য দুআ করার পর ওমরার তাওয়াফ করবে।
(মাওলানা আবুল ফাতাহ্ মুহাম্মদ ইয়াহ্‌ইয়া) জামিয়া শারইয়্যাহ মালিবাগ মাদ্রাসার সিনিয়র মুহাদ্দিস মাওলানা আবুল ফাতাহ্ মুহাম্মদ ইয়াহ্‌ইয়ার কাছে শরয়ী মাহরাম ব্যতীত মহিলাদের হজ্ব পালন সম্পর্কে কয়েকটি প্রশ্ন করা হয়। নিম্নে প্রশ্নোত্তরগুলো পত্রস্থ করা হলো :
(অধ্যাপক আহমদ আবুল কালাম, সাবেক চেয়ারম্যান, ইসলামিক ষ্টাডিজ বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা) প্রশ্নঃ বাংলাদেশী হজ্ব ইচ্ছুক হজক্যাম্পে বা বিমানে ওঠার আগে যে ইহরাম বাঁধেন তা কতখানি শরিয়তসম্মত?
(মাওলানা মুফতি মুহাম্মদ ফয়জুল্লাহ) তরুণ আলেম মাওলানা মুফতি মুহাম্মদ ফয়জুল্লাহর কাছে হজ্ব সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি এসব বিষয়ে যে সমাধান দেন তা প্রশ্নোত্তর আকারে তুলে ধরা হলোঃ
হজ শব্দের আভিধানিক অর্থ ইচ্ছা করা। এর পারিভাষিক অর্থ, আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার উদ্দেশ্যে শরিয়তের নিয়মানুসারে নির্দিষ্ট সময়ে কাবা শরিফ ও সংশ্লিষ্ট স্থানসমূহ জিয়ারত করা। ইসলামের পাঁচ স্তম্ভের অন্যতম স্তম্ভ হজ। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো প্রতিবছর বাংলাদেশ থেকেও বিপুলসংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসলমান হজ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরব যান। ভাষার ভিন্নতা, নতুন দেশ, নতুন পরিস্থিতি-বিবিধ কারণে তাঁদের সমস্যায় পড়তে হতে পারে। সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে হজ পালনের জন্য দরকার যথাযথ প্রস্তুতি ও জানাশোনা। হজ পালন সম্পর্কে একটি সহজ ও সংক্ষিপ্ত ধারণা দেওয়ার জন্য আমাদের এ আয়োজন। খুঁটিনাটি বিষয়গুলো আরও ভালোভাবে জেনে নেওয়ার জন্য অভিজ্ঞ ব্যক্তি ও আলেমদের সহায়তা নিতে পারেন হজযাত্রীরা। সুষ্ঠুভাবে হজ পালনের জন্য এ আয়োজন যদি সামান্যতম হলেও সহায়ক হয়, তবে আমাদের প্রচেষ্টা সার্থক বলে ধরে নেব। সব হজযাত্রীর জন্য রইল আমাদের শুভ কামনা।
(মাওলানা মোহাম্মদ ওমর ফারুক) হজ শব্দের আভিধানিক অর্থ সংকল্প করা, ইচ্ছা করা। ইসলামী পরিভাষায় হজ অর্থ নির্দিষ্ট দিনসমূহে পবিত্র কাবাঘর ও কয়েকটি নির্ধারিত স্থানে আল্লাহ ও রাসূলের নির্দেশিত অনুষ্ঠান পালনই হজ।
(মুফতি মুফীযুর রহমান) আরবি জিলহজ মাসের দশ, এগার, বার তারিখে প্রভুর সন্তষ্টি লাভের আশায় যে পশু জবাই করা হয় তাকেই কোরবানি বলে। সামর্থ্যবান প্রত্যেক মুসলমানই এ কোরবানি করে থাকেন। কিন্তু প্রশ্ন হল, কোরবানির মূল কথা কি? এর কি আছে কোন ইতিহাস বা অত্যুজ্জ্বল কাহিনী, যা হৃদয় মাঝে কোন শিহরণ জাগায়?


No popular authors found.
No popular articles found.