Islamic Article Archive

অন্যান্য

(Page 2 of 3)   « Prev  1  
2
  3  Next »
বৃক্ষ মহান আল্লাহতায়ালার পক্ষ থেকে বান্দার জন্য এক বিশেষ নিয়ামত। মানবজীবনে বৃক্ষের প্রয়োজন অত্যধিক। মানুষের জীবনের বিভিন্ন প্রয়োজন মেটাতে বৃক্ষ উৎস হিসাবে কাজ করছে। বৃক্ষ ছাড়া মানুষের অস্তিত্ব কল্পনাই করা যায় না। বৃক্ষ স্রষ্টার অনুপম সৌন্দর্যের অপূর্ব নিদর্শন। বৃক্ষ রোপণ এবং এর গুণাগুণ সম্পর্কে পবিত্র কোরআন ও হাদিস শরীফে ব্যাপক আলোচনা করা হয়েছে। পাশাপাশি এ ব্যাপারে উম্মতদের উৎসাহিত করেছেন প্রিয় নবী (সা·)।
সমাজ সাজায় আলেম বন মরে যাচ্ছে, প্রকৃতি মরে যাচ্ছে। মরে যাচ্ছে সবুজ। মরে যাচ্ছে পরিবেশ। আমাদের পরিবেশ ছিল মিষ্টি মেয়ের মতো খুব রূপসী। চোখ জুড়ানো মন ভোলানো সবুজের ছবি আঁকা রঙিন পরিবেশ, চারদিকে মাথা উঁচিয়ে দাঁড়িয়ে থাকত কত গাছ। ইয়া বড় বড় কত বৃক্ষ।
১৫ জুন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর গ্যালারিতে সাহিত্য-সংস্কৃতি কেন্দ্র, ঢাকা এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর যৌথ উদ্যোগে ১৫ দিনব্যাপী দশম ক্যালিগ্রাফি প্রদর্শনী শুরু হয়েছে। অর্ধ মাসব্যাপী অনুষ্ঠিত এবারের এ প্রদর্শনীতে ৩৯ জন প্রবীণ ও নবীন শিল্পীর গোয়াশ, তেলরঙ, অ্যাক্রেলিক, জলরঙ এবং ডিজিটাল মাধ্যমে নির্মিত প্রায় দুই শতাধিক ক্যালিগ্রাফি স্থান পেয়েছে। রঙতুলি আর ক্যানভাসের জমিন-সীমানা পেরিয়ে কিছু কিছু ক্যালিগ্রাফি-ভাস্কর্যও স্থান পেয়েছে এবার।
ফিরে এসেছে কদম ফোটার মাস বর্ষা। কখনও মেঘ, কখনও বৃষ্টি আবার কখনও প্রখর রোদ- এই নিয়েই বর্ষা। এই বর্ষা নিয়ে লেখা হয়েছে কত গান, কত কবিতা! কবির ভাষায়- ‘এসেছে বরষা, এসেছে নবীন বরষা। গগন ভরিয়া এসেছে ভুবন ভরসা।’ গ্রীষ্মের দাবদাহে দুর্বিষহ জীবনে বর্ষার বৃষ্টিধারা নিয়ে আসে জনজীবনে স্বস্তি। প্রকৃতিতে ফিরিয়ে আনে সজীবতা।
আল্লাহ রাব্বুল ইজ্জত আসমান ও জমিনে যা কিছু আছে তা পরিমিত ও সু-বিন্যস্তভাবে সৃষ্টি করে ভারসাম্য রক্ষা করেছেন। তিনি জমিনকে বিছানা এবং পর্বতরাজিকে পেরেকস্বরূপ সৃষ্টি করেছেন যাতে জমিন এ দিক সেদিক সরে গিয়ে কোন দুর্ঘটনা না ঘটে (সূরা নাবাঃ ৬-৭)।
প্রকৃতি, প্রাকৃতিক সম্পদ এবং মানুষ ও প্রকৃতির আন্তঃসম্পর্ক বিষয়ে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি অত্যন্ত ইতিবাচক। পরিবেশ সম্পর্কে ইসলামের সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি দু’টি পর্যায়ে বিশ্লেষণ করা যায়। এক. পৃথিবী, প্রকৃতি, প্রকৃতির উপকরণ, মানুষ ও প্রকৃতির মধ্যে বিদ্যমান আন্তঃসম্পর্ক বিষয়ে পবিত্র কুরআন-হাদিসের শিক্ষার মর্মালোকে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি সবার কাছে উপস্থাপন করা জরুরি। দুই. পরিবেশ সংরক্ষণে ইসলামের শিক্ষা ও মূল্যবোধের ব্যাপক প্রচার ও প্রসার খুব প্রয়োজনীয়। সমকালীন প্রেক্ষাপটে পরিবেশ সঙ্কট উত্তরণে ইসলামের নীতি, আদর্শ ও চেতনা সম্পর্কে ব্যাপক অনুশীলন ও গবেষণা অত্যাবশ্যকীয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ব্রিটিশ শাসকগোষ্ঠী যখন এই পাক-ভারত উপমহাদেশ শাসন করছিল তখন থেকেই কিছু কিছু মুসলমান বিলেতে যাওয়ার সুযোগ পান। বিশেষ করে ১৮৮২ সালের দিকে ব্রিটিশ মার্চেন্ট শিপগুলো যখন বিদেশী নাবিক রিক্রুট করতে শুরু করে, তখন থেকেই মুসলমানরা সুযোগ পান বিলেতে বসবাস করার। মুসলিম নাবিকরা ‘লাসকার’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন সে সময়। অনেক মুসলমান বিলেতি মেম বিয়ে করে লন্ডন, কার্ডিফ, লিভারপুল ও গ্লাসগো নিবাসী হয়ে যান। অনেক ব্রিটিশ নাগরিকও ইসলাম ধর্মে দিক্ষীত হন সে সময়।
বিশ্বস্রষ্টা, পরম করুণাময় আল্লাহ্‌ বা ঈশ্বরের সান্নিধ্য লাভই মানবজীবনের শ্রেষ্ঠ কামনা। আমার বিশ্বাস জীবনের সর্বস্তরে, সর্বক্ষেত্রে, সর্বসময়ে, সর্বত্তোভাবে সত্যকে অবলম্বন করে আল্লাহ্‌ বা ঈশ্বরের প্রতি দৃঢ়বিশ্বাস রেখে যুগে যুগে অনাদিকাল থেকে যে সব নবীরাসূল, মহাপ্রাণ, মহাত্মা, আউলিয়া, আম্বিয়া, গাউসকুতুব ও অবতারগণ আমাদেরকে যে জীবন পথ দেখিয়ে গেছেন মাতা-পিতার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে গুরুজনদের প্রতি ভক্তিভাজন হয়ে, জীবনে সেই পথে অগ্রসর হলে আল্লাহ্‌র নৈকট্য লাভ করা যায়।
আল্লাহ পাক নারীকে মায়ের মর্যাদা দিয়ে সৃষ্টি করেছেন। মা তার মাতৃত্বের কারণে শ্রদ্ধা, সম্মান ও সুন্দর আচরণ পাওয়ার হকদার। তাই ‘মা’ নারী ও পুরুষ সবার কাছে মর্যাদার স্বর্ণ শিখরে অধিষ্ঠিত। এ নিখিল বিশ্বে মায়ের কোল হচ্ছে নিরাপদ আশ্রয়স্হল। মাতৃ স্নেহ এক জান্নাতি নিয়ামত। ‘মা’ স্নেহের পরশ দিয়ে সন্তানাদির হৃদয় কোণে স্বস্তি, সান্ত্বনা ও প্রশান্তি উপহার দেয়। সন্তানকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলে।
ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে ব্রিটেন ও ফ্রান্সের পর এখন জার্মানি হচ্ছে ইসলামের সবচেয়ে উর্বর ভূমি। দেশটিতে ইসলামের দ্রুত প্রসার ঘটছে। মুসলমানদের সংখ্যা বাড়ছে উল্লেখযোগ্যভাবে। জার্মান টেলিভিশনের হিসাব অনুযায়ী ২০০৬ সাল থেকে দেশটিতে প্রতিবছর ৪ হাজার জার্মান নাগরিক ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত হচ্ছে। বর্তমানে জার্মানিতে মুসলমানের সংখ্যা ৩৫ থেকে ৪০ লাখ। এ সংখ্যা মোট জনসংখ্যার ৪ শতাংশ। সংখ্যালঘু ধর্মের তালিকায় ইসলামের অবস্থান প্রথম।
(Page 2 of 3)   « Prev  1  
2
  3  Next »


No popular authors found.
No popular articles found.