Islamic Article Archive

ইতিহাস ও ঐতিহ্য

(Page 1 of 2)   
« Prev
  
1
  2  Next »
ইসলাম মানুষের সহজাত ও প্রকৃতিগত একটি ধর্ম। ইসলাম সুস্হ ও শালীন ধারা সংস্কৃতিতে সযতনে লালন করে। যে কোনো ধরনের সুস্হ, সুন্দর, মননশীল সংস্কৃতির পক্ষে ইসলামের অবস্হান। সংস্কৃতির উৎসব বা উপাদান বিভিন্ন হতে পারে। তবে সংস্কৃতির প্রধান উপাদান তিনটি-এক. ভুখন্ড, দুই. ভাষা এবং তিন. ধর্ম। যে ধর্মের ওপর ভিত্তি করে সংস্কৃতির উৎপত্তি সেটা সে ধর্মেরই সংস্কৃতি। প্রত্যেক ধর্মেরই নিজস্ব কিছু সংস্কৃতি থাকতে পারে। নিজস্ব সংস্কৃতির মাধ্যমেই সেই ধর্মের স্বকীয়তা ও স্বাতন্ত্র্যবোধের প্রকাশ ঘটে। এর আবরণেই বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর পরিচয় পর্বটাও সম্পন্ন হয়ে যায়। সে হিসেবে বাংলাদেশে বাস করে যারা বাংলায় কথা বলে এবং ইসলামী অনুশাসন মেনে চলে তাদের সংস্কৃতিতে বাংলাদেশের মুসলিম সংস্কৃতি বলতে হয়।
মহানবী (সা·) নবুয়ত প্রাপ্তির পর তাঁর স্বগোত্রীয় লোকদের মাঝে মহান আল্লাহপাকের ঐশী গ্রন্থ আল-কোরআনুল কারিমের শাশ্বত বাণী প্রচার করতে চাইলেন। কিন্’ তাঁর স্বগোত্রীয় লোকেরা তা সহজে মেনে নিতে পারলেন না। তাই মহানবী (সা·) নিজ জন্মভূমি মক্কা ছেড়ে দূরে তায়েফবাসীর কাছে ইসলামের অমীয় বাণী প্রচারের মনস্থির করেন। পালক পুত্র হজরত আবদুল্লাহ ইবনে জায়েদকে (রা·) সঙ্গে নিয়ে তিনি তায়েফ নগরে গমন করেন।
জাকার্তা নগরীতে অবস্থিত ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় মসজিদের নাম ইসতিকলাল মসজিদ। ইসতিকলাল শব্দের অর্থ স্বাধীনতা। ইসতিকলাল মসজিদ মুসলিম বিশ্বের বৃহত্তম রাষ্ট্র ইন্দোনেশিয়ার বৃহত্তম মাসজিদ। ইন্দোনেশিয়ানরা শাফেয়ি মাজহাবের সুন্নি মুসলিম।
আরব সভ্যতা জ্ঞান-বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে যেসব মৌলিক প্রতিভার জন্ম দিয়েছে ইবনে খালদুন তাঁদের মধ্যে অন্যতম। তাঁর পুরো নাম আবু যইদ ওলিউদ্দীন আবদুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে খালদুন আল-তুনিসী আল হাদরামী আল ইশবিলী আল মালিকী। তিনি ১৩৩২ খ্রিস্টাব্দের ২৭মে উত্তর আফ্রিকার তিউনিস শহরে জন্ম গ্রহণ করেন। ইবনে খালদুন একাধারে ছিলেন পাশ্চাত্য মুসলিম ঐতিহাসিক, দার্শনিক এবং শিক্ষক, ইতিহাস ও সমাজতত্ত্বের দর্শনের অন্যতম রূপকার।
পৃথিবীর সবদেশ, সব জাতিরই রয়েছে নিজস্ব জীবন-সংস্কৃতি। আবার, ব্যবসা-বাণিজ্য ও জ্ঞানবিকাশের সাথে সাথে একদেশের সংস্কৃতি পৌঁছে যায় আরেক জনপদে। প্রাক ইসলাম যুগে আরব বণিকদের উর্টের কাফেলা মরুসীমানা অতিক্রম না করলেও, ইসলামের অভ্যুদয়ের পর সমুদ্রের হাতছানি তারা উপেক্ষা করেননি। বাণিজ্যের তরী ভাসিয়ে তারা পাড়ি দিয়েছেন সাগর-মহাসাগর। একইসঙ্গে তারা এক অঞ্চল থেকে আরেক অঞ্চলে নিয়ে গেছেন ইসলামের শাশ্বত বাণী।
লোকটার জবাবে বিস্মিতই হতে হলো আমাদের। ‘চৌদ্দগ্রামে কোনো আবাসিক হোটেল নেই’। তাহলে আমাদের মতো মুসাফিররা এখানে এসে কী করেন! ‘আপনারা যা করবেন তাই করেন তারা’। খুব স্বাভাবিকভাবেই উত্তর করল হাসপাতালের কর্মচারীটি। ‘ঢাকা ফেরত যাবেন নতুবা মহিপালের কোনো হোটেলে উঠতে হবে’। বলেন কী! এত্ত রাতে আবারও গাড়ির ঝামেলা! অগত্যা তাই করতে হলো আমাদের। লোকটি বহু কষ্ট করে আমাদের উঠিয়ে দিলেন একটি মালবাহী কার্গোতে।
বিশ্বজাহানের স্রষ্টা মহান আল্লাহ পবিত্র মদীনা ভূমিকে তাঁর প্রিয় হাবীব মুহাম্মদ(সাঃ)-এর হিজরতস্থল ও কিয়ামত পর্যন্ত ইসলামের অনুসারীদের প্রধান আধ্যাত্মিক কেন্দ্ররূপে মনোনীত করেছেন। তিনি এ ভূমিকে আরও ধন্য করেছেন শেষ নবীর শেষ আশ্রয়স্থল হিসেবে। তাই এই শহরের মর্যাদা অপরিসীম। মুসলমানদের কাছে মক্কার পরেই এ শহরের গুরুত্ব। নবীজীর রওজা ছাড়াও এর প্রতিটি অলিগলিতে রয়েছে ইসলামের পুরনো দিনের স্মৃতি।
আমাদের এখানে যারা এখন বুদ্ধিজীবী ও রাজনীতিবিদ হিসেবে বক্তৃতা-বিবৃতি দিয়ে বলেছেন, তারা নিশ্চয়ই স্বীকার করবেন যে, আমাদের রাজনীতির ইতিহাস সুপ্রাচীন। যদি ১৭৫৭ সাল থেকে এখানকার রাজনীতির ইতিহাসকে মুল্যায়ন করার চেষ্টা করেন, তাহলে ন্যায় বিচার হবে না। ১৯৪৭ ও ১৯৫২ তো নয়ই। আমাদের রাজনীতির ইতিহাস মুল্যায়ন করার জন্য একাদশ শতাব্দী বা তারও আগে এবং পর থেকে পর্যালোচনায় আনতে হবে। তাহলে বোধ করি যথাযথভাবে পরখ করা যাবে যে, এ দেশের আলেম-ওলামা ও পীর-মাশায়েখরা হঠাৎ করে রাজনীতিতে উড়ে এসে জুড়ে বসেননি। তারা নিজেদের জীবন, যৌবন ও তাজা প্রাণ উজাড় করে দিয়ে দেশমাতৃকার স্বাধীনতা অর্জনের জন্য সংগ্রাম করেছেন। ভারত উপমহাদেশে রাজনীতির ঢেউগুলোর প্রতিটির জন্য আলেমদের ভুমিকা বা নাম এমনভাবে জড়িত যে, তাদের বাদ দিয়ে ইতিহাস রচনা করতে কেউ যদি উদ্যোগী হন, তাহলে মিথ্যা ইতিহাস রচনা করবেন।
হযরত মূসা এবং তাঁর অনুসারীদের মিসর ত্যাগের ঘটনাটি ধর্মগ্রন্থের আলোকে যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি ঐতিহাসিক বিচারেও এর গুরুত্ব অপরিসীম। এই ঘটনার মধ্যদিয়ে ইহুদিরা মিসর ত্যাগ করতে সক্ষম হয় এবং ইহুদীদের বিতাড়ণকারী একজন ফেরাউনের নীলনদে সলিল সমাধি ঘটে।
হযরত ইব্রাহিম (আ·) পাঁচটি পাহাড়ের পাথর এই কাবাঘর নির্মাণে ব্যবহার করেন। ঘর নির্মাণ সমাপ্ত হলে হযরত ইব্রাহিম (আ·) বললেন, এখানে একটি সুন্দর পাথর স্থাপন করা প্রয়োজন, যা মানুষের জন্য নিদর্শন হয়ে থাকে· পবিত্র কাবা শরিফ বিশ্বের মুসলমানদের জন্য কেবলা হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।
(Page 1 of 2)   
« Prev
  
1
  2  Next »


No popular authors found.
No popular articles found.