- Home
- ইতিহাস ও ঐতিহ্য
শবেবরাত ধর্মীয়, সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ
- By Article Poster
- Published 08/17/2008
- ইতিহাস ও ঐতিহ্য , মাস ভিত্তিক আমল
-
Rating:




শা’বান আরবী বর্ষপঞ্জির অষ্টম মাস, এ মাসকে রাসুল (সাঃ) তাঁর নিজের মাস বলে আখ্যায়িত করেছেন। মাহে, রমযানুল মোবারককে যথাযথভাবে বরণ করে নেয়ার প্র‘তির মাস হিসেবেও একে অভিহিত করা হয়। বর্ষপরিক্রমায় যখনই মাসটি ঘুরে আসতো তখনই রাসুল (সাঃ) মহান রাব্বুল আলামীনের দরবারে দোয়া করতেনঃ আল্লাহুমা বারিকলানা ফি রাজাবা ওয়া শাবানা ওয়াবাল্লিগনা ইলা রামাদান। অর্থাৎ: হে আল্লাহ! আপনি আমাদের রজব ও শাবানের বরকতদান করুন এবং আমাদেরকে রমযান পর্যন্ত জীবিত রাখুন। মধ্য শাবানের শবে বরাতের মশহুর ফজিলতের কথা কোরআন-হাদীসের অসংখ্য দলিল দ্বারা প্রমাণিত।
উমর রা.-এর মতো শাসক চাই
- By Article Poster
- Published 08/17/2008
- ইতিহাস ও ঐতিহ্য , জীবন ও কর্ম , অলী-আউলিয়া
- Unrated
মনীষীজনকে পৃথিবী বারবার পায় না, যখন পায় তখন এ ধরা উদ্বেলিত হয়, আলোড়িত হয় মানুষের অন্তর, রঙিন হয় তাদের আলোকে মানুষের জীবন ও তার ধারা। সময়ের প্রান্তে-সীমান্তে পৃথিবী খুঁজে ফেরে সেসব সোনালি মানুষকে। তেমনি একদল মানুষ এসেছিলেন একটা শ্রেষ্ঠ সময়ে, যে সময় পৃথিবী আর কখনো দেখবে না, যে ন্যায়নিষ্ঠা পৃথিবী আর কোনো দিন পাবে না, যে প্রশান্তি পৃথিবী আর অনুভব করবে না এবং সুদীর্ঘ চৌদ্দ শতকের কোনো একটি মুহূর্তেও পায়নি, অনুভব করেনি। সেই দলে ছিলেন এমন একজন মানুষ যে তাঁর সারাটি বাল্যজীবন ঊষর মরুর বুকে উষ্ট্রচারণের কাজ করেছেন; একদা যখন ‘যাজযান’ প্রান্তর অতিক্রম করছিলেন তখন অশ্রুভারাক্রান্ত হৃদয়ে বলেছিলেনঃ ‘আল্লাহু আকবার! এমন এক সময় ছিল যখন আমি পশমি জামা পরে এই মাঠে প্রখর রৌদ্রতাপে উট চরাতাম। যখন শ্রান্ত-ক্লান্ত হয়ে ক্ষণিকের জন্য বসতে যেতাম, তখন পিতার হাতে নির্মমভাবে প্রহৃত হতাম। কিন্তু আজ আমার পক্ষে এমন দিন এসেছে, আমার ওপর এক আল্লাহ ব্যতীত অন্য কোনো মালিক নেই।’
চারশ’ বছর আগের ঢাকার মুসলিম ঐতিহ্য
- By Article Poster
- Published 08/1/2008
- ইতিহাস ও ঐতিহ্য
- Unrated
‘সিলসিলাতি তাওয়ারিখের’ ইতিহাসবিদ সোলায়মান উল্লেখ করেছেন বাংলার এক প্রকার সূক্ষ্ম সুতিবস্ত্র ওখানকার মুসলিম তাঁতীরা বয়ন করেন যা একটা আংটির ভেতর দিয়ে অনায়াসে বহন করা যায়
টেঙ্গর শাহী জামে মসজিদ
- By Article Poster
- Published 07/13/2008
- ইতিহাস ও ঐতিহ্য
-
Rating:




মুন্সীগঞ্জ জেলায় মুসলমানদের আগমন কবে, কখন, কিভাবে হয়েছিল তা বলা খুবই কঠিন। তবে প্রাচীনকাল থেকেই মুন্সীগঞ্জে মুসলমানদের আগমন পরিলক্ষিত হয়।
ইসলামের সোনালি যুগঃ মদিনা সনদ থেকে খেলাফতে রাশেদা
- By Article Poster
- Published 05/31/2008
- ইতিহাস ও ঐতিহ্য
- Unrated
সৃষ্টিগতভাবেই মানুষ সামাজিক জীব। মানব জীবনে একাকিত্ব অকল্পনীয়। ইসলাম স্বভাবজাত সর্বজনীন ধর্ম হিসেবে তাতে সবার জন্য সর্বাবস্হার সর্বোত্তম সমাধান বিদ্যমান। ব্যক্তি জীবন থেকে নিয়ে পারিবারিক, সামাজিক, রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিক জীবনের সব সমস্যার সমাধান ও নমুনা তাতে রয়েছে। ইরশাদ হয়েছে ‘তোমাদের জন্য রাসুলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ’।
কাবার পুনর্নির্মাণের ইতিহাস
- By Article Poster
- Published 05/24/2008
- ইতিহাস ও ঐতিহ্য
-
Rating:




মানব সৃষ্টির আগে ফেরেশতারা প্রথমবার কাবাঘর নির্মাণ করেন। দ্বিতীয়বার হজরত আদম (আ•) কাবা শরিফ পুনর্নির্মাণ করেন। তৃতীয়বার হজরত শিস (আ•) কর্তৃক পুনর্নির্মিত হয়। চতুর্থবার হজরত ইব্রাহিম (আ•) কর্তৃক পুনর্নির্মাণ হয়। পঞ্চমবার আমালিকা সম্প্রদায় কর্তৃক পুনর্নির্মিত হয়। ষষ্ঠবার জুরহাস সম্প্রদায় কর্তৃক কাবা শরিফ পুনর্নির্মিত হয়। এরপর সপ্তমবার মোজার সম্প্রদায় এবং অষ্টমবার কোরাইশ সম্প্রদায় কর্তৃক মহানবীর (সা•) নব্যুয়ত প্রাপ্তির পাঁচ বছর আগে পুনর্নির্মাণ হয়।
কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শহীদী মসজিদ
- By Article Poster
- Published 05/23/2008
- ইতিহাস ও ঐতিহ্য
- Unrated
কিশোরগঞ্জ জেলা শহরে অবস্থিত আধুনিক স্থাপত্যের এক ঐতিহাসিক নিদর্শন “শহীদী মসজিদ”। এ মসজিদটি এ অঞ্চলের ইতিহাসের এক বিরল নিদর্শন। মসজিদটির নাম ‘শহীদী মসজিদ” এ নামকরণ নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে কৌতূহলের অন্ত নেই। মূল শহরের প্রাণকেন্দ্রে মসজিদটির অবস্থান। শহীদী মসজিদের ইতিহাস খুব পুরনো না হলেও এটি অত্যন্ত আকর্ষণীয়। মসজিদটিকে আধুনিকরূপে নির্মাণের ক্ষেত্রে যিনি অসাধারণ ভূমিকা রেখেছেন তিনি হলেন হযরত মাওলানা আতাহার আলী (রহঃ)।
হস্তলিপিকলা চর্চায় মুসলমান
- By Article Poster
- Published 05/16/2008
- ইতিহাস ও ঐতিহ্য
- Unrated
মুসলমানদের উদ্ভাবিত ও লিখিত আধুনিক হস্তলিপি কলা, বর্তমান সময়ে এক রুচিশীল স্বীকৃত চারুবিদ্যা। হাজার যন্ত্র-পাতির ভীড় সম্বলিত সভ্যতার এ যুগেও হস্তলিপি শিল্পের হ্নদয় ছোঁয়া, অবাক করা কাজ হচ্ছে। যা মানুষের সুপ্ত লালিত্যবোধকে জাগিয়ে তুলতে সক্ষম হচ্ছে। মসুলমানদের চর্চিত শিল্প কলাকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। ১। স্থাপত্য, ২। চিত্রকলা, ৩। হস্তলিপি কলা।
বাংলা সাল ও মুসলিম সংস্কৃতি
- By Article Poster
- Published 04/15/2008
- ইতিহাস ও ঐতিহ্য
- Unrated
ইসলাম মানুষের সহজাত ও প্রকৃতিগত একটি ধর্ম। ইসলাম সুস্হ ও শালীন ধারা সংস্কৃতিতে সযতনে লালন করে। যে কোনো ধরনের সুস্হ, সুন্দর, মননশীল সংস্কৃতির পক্ষে ইসলামের অবস্হান। সংস্কৃতির উৎসব বা উপাদান বিভিন্ন হতে পারে। তবে সংস্কৃতির প্রধান উপাদান তিনটি-এক. ভুখন্ড, দুই. ভাষা এবং তিন. ধর্ম। যে ধর্মের ওপর ভিত্তি করে সংস্কৃতির উৎপত্তি সেটা সে ধর্মেরই সংস্কৃতি। প্রত্যেক ধর্মেরই নিজস্ব কিছু সংস্কৃতি থাকতে পারে। নিজস্ব সংস্কৃতির মাধ্যমেই সেই ধর্মের স্বকীয়তা ও স্বাতন্ত্র্যবোধের প্রকাশ ঘটে। এর আবরণেই বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর পরিচয় পর্বটাও সম্পন্ন হয়ে যায়। সে হিসেবে বাংলাদেশে বাস করে যারা বাংলায় কথা বলে এবং ইসলামী অনুশাসন মেনে চলে তাদের সংস্কৃতিতে বাংলাদেশের মুসলিম সংস্কৃতি বলতে হয়।
তায়েফে ইসলাম প্রচার
- By Article Poster
- Published 03/28/2008
- ইতিহাস ও ঐতিহ্য
- Unrated
মহানবী (সা·) নবুয়ত প্রাপ্তির পর তাঁর স্বগোত্রীয় লোকদের মাঝে মহান আল্লাহপাকের ঐশী গ্রন্থ আল-কোরআনুল কারিমের শাশ্বত বাণী প্রচার করতে চাইলেন। কিন্’ তাঁর স্বগোত্রীয় লোকেরা তা সহজে মেনে নিতে পারলেন না। তাই মহানবী (সা·) নিজ জন্মভূমি মক্কা ছেড়ে দূরে তায়েফবাসীর কাছে ইসলামের অমীয় বাণী প্রচারের মনস্থির করেন। পালক পুত্র হজরত আবদুল্লাহ ইবনে জায়েদকে (রা·) সঙ্গে নিয়ে তিনি তায়েফ নগরে গমন করেন।
ইতিহাস ও ঐতিহ্য