Islamic Article Archive

(Page 1 of 3)   
« Prev
  
1
  2  3  Next »
আল-ফারাবী একজন খ্যাতনামা দার্শনিক ও বহুভাষাবিদ পন্ডিত। প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যে তাঁর প্রভাব সুদূর প্রসারী। তিনি ৮৭০ খ্রিস্টাব্দে তুর্কীস্তানের ফারাব এর নিকটে তুর্কী পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। ফারাব শহরের বাসিন্দা বলে তাঁর ডাকনাম আল-ফারাবী হয়েছে। তাঁর পুরো নাম আবু নসর মুহাম্মদ বিন তারখান ইবনে উযলাগ আল-ফারাবী। লাটিন ভাষায় আল-ফারাবিয়াস।
সর্বোত্তম ইবাদত হলো নামাজ। নামাজের পরেই শ্রেষ্ঠ ইবাদত হলো ‘খিদমতে খালক’ বা ‘সৃষ্টির সেবা।’ আল্লাহকে ইলাহ ও রব হিসেবে মেনে নেয়ার সর্বোৎকৃষ্ট অনুশীলন হলো নামাজ। যে নামাজ আদায় করে না সে মুখে যতই নিজেকে ঈমানদার বলে দাবি করুক না কেন তার ওই দাবি সারশূন্য। নামাজহীন ব্যক্তিরা বলে থাকে আমি নামাজ না পড়লেও আমার ঈমান ঠিক আছে, আমি অনেক নামাজির চেয়ে ভালো। কথাটি আদৌ ঠিক নয়। কারণ পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা নামাজ কায়েম করো, নামাজ তোমাদের যাবতীয় অশ্লীল ও মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখবে (তোমরা উত্তম চরিত্রের অধিকারী হতে পারবে)।’ রাসূল সাঃ বলেন, নামাজই মুমিন আর কাফিরের মধ্যে পার্থক্য সৃষ্টি করে।’
যে কজন সাধারণ নারী আল্লাহর অনুগ্রহপ্রাপ্ত হয়ে জগতের বুকে অসাধারণ ও মহিমাম্বিত হয়ে আছেন তাদের মধ্যে উম্মে মূসা অর্থাৎ মূসার জননী অন্যতম। বলা বাহুল্য যে পবিত্র কোরআনে মূসার জননীকে তার নিজ নামে বা অন্য কোন নামে সম্বোধন করা হয় নাই। তিনি উম্মে মূসা নামেই অভিহিত হয়েছেন। তার প্রকৃত নাম ইয়ূকাবিদ (ামডদণঠণঢ)। তিনি সেই মহিয়সী নারী যিনি দুই নবী হযরত হারুন ও হযরত মূসা (আঃ) কে গর্ভধারণ করে গৌরবাম্বিত হয়ে আছেন।
মধ্যযুগীয় মুসলিম চিন্তাবিদরা বিশ্বের মানুষের জন্য আলোকবর্তিকাস্বরূপ। তারা আলোকিত করেছেন আমাদের চিন্তাচেতনাকে, সভ্যতা-সংস্কৃতিকে, জীবন-জগৎকে। দুঃখজনক হলেও সত্য, পাশ্চাত্যের অনেক গবেষক এসব মুসলিম মনীষীর নামকে উপস্থাপন করেছেন বিকৃতভাবে। ফলে প্রাচ্যের লোকগুলো তাদের চিরচেনা এসব মনীষীকে পাশ্চাত্যের দেয়া নামে চিনতেও পারেন না। প্রথমেই ধরা যাক মোহাম্মদ ইবনে মুসা আল-খারিজমীর কথা। তিনি ছিলেন মুসলমান বিজ্ঞানীদের শ্রেষ্ঠতম একজন।
মাওলানা আতাউর রহমান খান (রহ·) বাংলাদেশের ইসলামিক জগতের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। তিনি একজন ইসলামী বুদ্ধিজীবী, আদর্শ সাংসদ, সুবক্তা, সুসাহিত্যিক ও আদর্শ শিক্ষক হিসেবে পরিচিত। ইসলাম ও আধুনিকতায় কোথাও যে বৈপরীত্য নেই- মরহুমের জীবন, কর্ম, আলোচনা, রচনায় তা স্পষ্ট। তিনি ছিলেন ঘরে-বাইরে সমান আধুনিক।
বাংলাদেশের খ্যাতিমান আলেমে দ্বীন, সাবেক সংসদ সদস্য, বহুমুখী প্রতিভার সমন্বিত ব্যক্তিত্ব মাওলানা আতাউর রহমান খান (রহ.) আর আমাদের মাঝে নেই। ৩০ জুলাই রাত প্রায় আড়াইটায় তিনি আমাদের ছেড়ে পরপারের উদ্দেশে রওনা করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৩ বছর। তিনি একাধারে একজন জাতীয় পর্যায়ের বিশিষ্ট আলেম, রাজনীতিবিদ, সফল বাগ্মী, চিন্তাশীল লেখক, আদর্শ সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী এবং সুতীক্ষ্ন চিন্তার অধিকারী ব্যাপক সমাদৃত সংগঠক ব্যক্তিত্ব ছিলেন। কর্মজীবনে তিনি ইসলাম, দেশ ও জাতির কল্যাণার্থে বহুমুখী দায়িত্ব ও খেদমত আঞ্জাম দিয়েছেন।
প্রিয় নবী (সাঃ) এরশাদ করেন আমার মা তিনজন। প্রথমে আমার গর্ভধারিণী মা বিবি আমেনা, দ্বিতীয় দুধমাতা হালিমাতুস ‘সাদিয়া’ এবং তৃতীয় মা হচ্ছেন ‘হযরত উম্মে আয়মান’ (রাঃ)। তার আর একটি নাম নাজদিয়া। কিন্তু ঐতিহাসিকগণ উম্মে আয়মান বলেই সর্বত্র উল্লেখ করেছেন। তার পিতার নাম ফররুক ইবনে মাসরুক। মাতার নাম উয্‌রা। তিনি সিরিয়া রাজ্যের অন্তর্গত রামাল্লা শহরের অধিবাসী গাফতানী গোত্রে জন্মগ্রহণ করেন। রামাল্লা থেকে পিতার সাথে উম্মে আয়মান দামেস্ক যাওয়ার পথে দস্যু কর্তৃক ফররুকের কাফেলা অতর্কিত আক্রমণের শিকার হয়। ফররুকসহ আরো কয়েকজনকে আহত এবং নিহত করে সব কিছু লুট করে নিয়ে যায়। কাফেলার সাথে থাকা বালক-বালিকা এবং স্ত্রী লোকদেরকে দস্যুদল খোলা বাজারে পণ্যের মত বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন চরিত্রের মানুষের কাছে বিক্রি করে দেয়। হযরত উম্মে আয়মান ছিলেন তাদের মধ্যে এগার-বারো বছরের এক বালিকা।
মনীষীজনকে পৃথিবী বারবার পায় না, যখন পায় তখন এ ধরা উদ্বেলিত হয়, আলোড়িত হয় মানুষের অন্তর, রঙিন হয় তাদের আলোকে মানুষের জীবন ও তার ধারা। সময়ের প্রান্তে-সীমান্তে পৃথিবী খুঁজে ফেরে সেসব সোনালি মানুষকে। তেমনি একদল মানুষ এসেছিলেন একটা শ্রেষ্ঠ সময়ে, যে সময় পৃথিবী আর কখনো দেখবে না, যে ন্যায়নিষ্ঠা পৃথিবী আর কোনো দিন পাবে না, যে প্রশান্তি পৃথিবী আর অনুভব করবে না এবং সুদীর্ঘ চৌদ্দ শতকের কোনো একটি মুহূর্তেও পায়নি, অনুভব করেনি। সেই দলে ছিলেন এমন একজন মানুষ যে তাঁর সারাটি বাল্যজীবন ঊষর মরুর বুকে উষ্ট্রচারণের কাজ করেছেন; একদা যখন ‘যাজযান’ প্রান্তর অতিক্রম করছিলেন তখন অশ্রুভারাক্রান্ত হৃদয়ে বলেছিলেনঃ ‘আল্লাহু আকবার! এমন এক সময় ছিল যখন আমি পশমি জামা পরে এই মাঠে প্রখর রৌদ্রতাপে উট চরাতাম। যখন শ্রান্ত-ক্লান্ত হয়ে ক্ষণিকের জন্য বসতে যেতাম, তখন পিতার হাতে নির্মমভাবে প্রহৃত হতাম। কিন্তু আজ আমার পক্ষে এমন দিন এসেছে, আমার ওপর এক আল্লাহ ব্যতীত অন্য কোনো মালিক নেই।’
জন্মঃ আমিরুল মুমিনিন ফিল হাদিস হজরত ইমাম বুখারী (রহ.) ১৯৪ হিজরি সালের ১৩ শাওয়াল পবিত্র জুমার দিনে বর্তমান তাজিকিস্তানের রাজধানী সমরকন্দ থেকে প্রায় ৩৮ মাইল পশ্চিমে অবস্হিত বুখারা শহরে জন্মগ্রহণ করন। তার নাম মুহাম্মদ, উপনাম আবু আবদুল্লাহ, উপাধি আমিরুল মুমিনিন ফিল হাদিস’।
যার মধুর কণ্ঠের আজান ধ্বনি আর কোরআনে কারিমের তেলাওয়াত শুনলে আল্লাহপ্রেমে শিহরিত হতো হৃদয়ের অণু-পরমাণু, সেই আন্তর্জাতিক ক্কারী মুহাম্মাদ ওবায়দুল্লাহ আজো বাকরুদ্ধ। হঠাৎ করেই যেন সবকিছু এলোমেলো হয়ে গেল। থেমে গেল সেই মধুর কণ্ঠের আজানের ধ্বনিও। আজ আর সেই কণ্ঠে কোনো আওয়াজ নেই। নেই তার কণ্ঠে সেই কোরআনে কারিমের তেলাওয়াত।
(Page 1 of 3)   
« Prev
  
1
  2  3  Next »


No popular authors found.
No popular articles found.