Islamic Article Archive

দৈনন্দিন জীবনে ইসলাম

(Page 1 of 9)   
« Prev
  
1
  2  3  4  5  Next »
পৃথিবীতে জীবনযাপনের জন্য প্রতিটি মানুষকে জীবিকার অম্বেষণ করতে হয়। সে জীবিকা অর্জন অবশ্যই আল্লাহ ও রাসূলের নির্দেশিত পন্থা-পদ্ধতিতে হওয়া জরুরি। নচেৎ এ ব্যবসায়-বাণিজ্য ইবাদত হিসেবে গণ্য হবে না। রাসূল (সা•) নিজে ব্যবসা করতেন এবং খোলাফায়ে রাশেদিনের সদস্যসহ অনেক সাহাবিও ব্যবসায়ের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তারা ব্যবসাকে জীবিকা অর্জনের পাশাপাশি ইবাদতের মাধ্যমও মনে করতেন।
পিতা-মাতার মতো এই পৃথিবীতে আপনজন আর কেউই নেই। পরম করুণাময় আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের পর পিতামাতাই সন্তানের কাছে অধিক শ্রদ্ধেয়। মহান স্রষ্টা আমাদের সৃষ্টি করেছেন সীমাহীন অনুগ্রহ ও দয়া দিয়ে। তাই আমাদের সর্বপ্রথম দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে সর্বশক্তিমান আল্লাহর প্রতি আনুগত্য স্বীকার করা এবং তাঁর ইবাদত করা। এরপর যাদের প্রতি আমাদের কর্তব্য পালন করা উচিত তারা হলেন পিতা-মাতা।
নিশ্চয়ই আমি কোরআন বরকতময় রাতে অবতীর্ণ করেছি। নিশ্চয়ই আমি সতর্ককারী। এ রাতে আমারই আদেশে প্রত্যেক প্রজ্ঞাপূর্ণ বিষয় স্থির করা হয়। আমিই আপনার পাগলকর্তার পক্ষ থেকে রহমতস্বরূপ ফেরেশতা পাঠিয়ে থাকি। নিশ্চয়ই তিনি সর্বশ্রোতা ও সর্বাজ্ঞ। -সূরা দোখান, আয়াতঃ ৩-৬
দাওয়াহ ইসলামি শরিয়তের পরিভাষায় মুসলমানদের জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি কর্তব্য। এটি আরবি শব্দ ‘দাআ’ থেকে এসেছে। এর আভিধানিক অর্থ হলো আহ্বান করা, ডাকা বা সাহায্য কামনা করা। আর পারিভাষিক অর্থে, সৃষ্টিকর্তা কর্তৃক মনোনীত পরিপূর্ণ জীবনবিধান ইসলামের দিকে মানুষকে আহ্বান করাই হলো দাওয়াহ। পবিত্র আল কুরআন মুসলমানদের সংবিধান আর রাসূল সাঃ হলেন পথপ্রদর্শক। কুরআন-হাদিসের বাইরে আর কোথাও মানুষের প্রকৃত সুখের সন্ধান পাওয়া সম্ভব নয়। মুক্তির একমাত্র পথ ইসলাম। আল্লাহ ছাড়া সমগ্র সৃষ্টি নিরুপায়।
শরিয়তি কাজ ও কর্তব্যের মূল্য উপলব্ধিতে ফিকাহর জ্ঞান সহায়ক ভূমিকা পালন করে। আর আদেশ ও নিষেধের মানদণ্ডে এসব কাজ ও কর্তব্যের সুনির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এই জ্ঞান বিবিধ ও সাদৃশ্যের মধ্যকার বিভ্রান্তি প্রতিরোধ করে। জীবনের ওপর ইতিবাচক ও নেতিবাচক প্রভাবের আলোকে ইসলাম প্রতিটি কর্মের মূল্যমান নির্ধারণ করে দিয়েছে।
মাটি থেকে সৃষ্টি হয়েছে মানুষ, আবার মাটিতেই মিশে যাবে। এ মাটিকেই চাষাবাদ করে টিকে থাকতে হয় মানুষের। প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে প্রতিটি মানুষ কৃষির ওপর নির্ভরশীল। অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, স্বাস্থ্য সেবা, পথ্য, শিক্ষা সরঞ্জাম, পানি, বিদ্যুৎ, যানবাহন সব কিছুর মূল উৎপাদন কৃষি থেকেই আসে।
ইসলামী জীবনে তাকওয়ার গুরুত্ব অপরিসীম। এ বিষয়টি সম্পর্কে অনেকে এক অস্বচ্ছ ধারণা পোষণ করে থাকে। তারা প্রায়ই কেবল এর তাত্ত্বিক দিকটি বিবেচনায় আনেন। এর ব্যবহারিক দিকটির ওপর তেমন গুরুত্ব দেন বলে মনে হয় না।
লজ্জা মানব চরিত্রের শ্রেষ্ঠ অলংকার। আল্লাহ প্রদত্ত এক অনন্য গুণ। এর উৎপত্তি ঈমান থেকে। এটি এমন গুণ যা মানুষকে সব ধরনের কদর্মতা, মলিনতা ও কলুষতা থেকে মুক্ত রাখে এবং ব্যক্তিকে পবিত্রতা, স্বচ্ছতা ও নির্মলতার চরিত্র বিকাশে বিকশিত করে তোলে।
আমরা মুসলমান। ইসলামী শিক্ষাব্যবস্থাই আমাদের জন্য উপযুক্ত শিক্ষাব্যবস্থা। কারণ ইসলামী শিক্ষাই বর্বর মানুষকে সোনার মানুষে পরিণত করতে পারে। মূলত যে জ্ঞানের সাহায্যে সত্য-মিথ্যা, হালাল-হারাম, ন্যায়-অন্যায়, ভালো-মন্দ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সংক্রান্ত কুরআনিক বিশেষ জ্ঞান সম্পর্কে জানা যায় এবং যে শিক্ষালব্ধ জ্ঞানের দ্বারা মানুষ স্বীয় আত্মাকে ও মহান স্রষ্টা আল্লাহকে জানতে, বুঝতে ও চিনতে পারে তাই হলো ইসলামী শিক্ষা। মানবীয় গুণাবলির বিকাশ সাধনপূর্বক আল্লাহ প্রদত্ত বিধান অনুযায়ী জীবনযাপন করার জন্য ইসলামী শিক্ষা অত্যন্ত আবশ্যক।
আজ বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ দিবস। তাই আসুন, ইসলামে মাতৃদুগ্ধের ব্যাপারে যে গুরুত্ব ও আদেশ রয়েছে তা আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে মেনে চলি। মাতৃদুগ্ধ শিশুর অধিকার। সে অধিকার যাতে কোন কারণে খর্ব না হয়, সে ব্যাপারে যথেষ্ট দৃষ্টি রাখতে হবে। কেননা ‘আজকের শিশু, আগামী দিনের ভবিষ্যৎ’। ভবিষ্যৎ কর্ণধার শিশুদের এই অধিকারের ব্যাপারে মায়েদের ভূমিকাটাই সবচেয়ে বেশি। এ ব্যাপারে মায়েরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করবেন- সেই প্রত্যাশাই কামনা করি।
(Page 1 of 9)   
« Prev
  
1
  2  3  4  5  Next »


No popular authors found.
No popular articles found.